Thursday, June 25, 2026

আরও বিপাকে পরিচালক! এবার অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে মহিলা কমিশনে আরও এক অভিনেত্রী

Date:

Share post:

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে যখন ঝড় উঠেছে রাজ্য জুড়ে ঠিক সেই সময় ‘মি-টু’ অভিযোগে উত্তাল টলিউড। কর্মস্থলে নারীদের সুরক্ষার দাবিতে শহর জুড়ে পথে নেমেছে মহিলারা। সেখানে টেলি দুনিয়ার অভিনেত্রী, মহিলা কলাকুশলীদের সুরক্ষা নিয়ে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে উঠেছে প্রশ্ন! দিন কয়েক আগে অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ হন এক নতুন অভিনেত্রী। আর তার রেশ কাটতে না কাটতেই অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে আরও এক টলিউড অভিনেত্রী দ্বারস্থ হলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর উইমেন-এ।

ঘটনাটি ঘটে ২০১৭ সালে, এরপর বছর তিনেক বাদে ২০২০ সালে প্রকাশ্যেই মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী। তবে এবার বৃহস্পতিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর উইমেন-এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন সেই অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, প্রয়োজন পড়লে পুলিশের কাছেও যেতেও প্রস্তুত। এদিন ২০১৭ সালে ঘটে যাওয়া বিষয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে অভিযোগকারি অভিনেত্রী সাফ দাবি করেছেন, পরিচালকের অফিসে স্ক্রিপ্ট রিডিং সেশনের জন্য গিয়েছিলেন তিনি। সেসময় আচমকাই তাঁকে জাপটে ধরেন অরিন্দম। এমনকী ওই অভিনেত্রী জানিয়েছেন যে, পরিচালক কাউচে বসে তাঁকে পাশে বসার জন্যেও আহ্বান জানান। এবার প্রশ্ন এতদিন বাদে কেন মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হলেন অভিনেত্রী?

এপ্রসঙ্গে ওই অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এই ঘটনার সময় ২০১৭ সালে তাঁর ডিভোর্স মামলা চলছিল। সন্তান ছোট, তাই তখন মুখ খোলার সাহস পাননি। তবে মাকে জানিয়েছিলেন বিষয়টি। এই কথাগুলো বলার জন্য কে বিশ্বাসভাজন? সেটাও বুঝতে পারিনি তখন। পাছে আমার কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ২০২০ সালে যখন বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলি, তখন পরিচালক আমাকে পালটা বলেন, আমি নাকি বিষয়টিতে রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা করছি। এবার যখন একজন অভিনেত্রী অরিন্দম শীলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তখন আমার মনে হল, আমারও প্রতিবাদ করা উচিত।তাই মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় দ্বারস্থ হন।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে অরিন্দম শীল বলছেন, “ঘটনার পর ওই অভিনেত্রীর সঙ্গে আমার দেখাও হয়েছে। আমার স্ত্রীর সঙ্গেও ওঁর কথা হয়েছে। ওই অভিনেত্রীর পাঠানো সমস্ত ম্যাসেজ আমার কাছে রয়ে গিয়েছে। যার একটাতে উনি বলেছিলেন- ‘আপনি আমার পথপ্রদর্শক হোন।’ এখন আইনজীবীর পরামর্শ মতোই চলছি।” যদিও ওই মেসেজ নিয়ে অভিযোগকারী অভিনেত্রীর দাবি, “সেইসময়ে আমি ভয় পেয়েছিলাম। মনে হয়েছিল আমাকে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হবে। তাই আমি যেন পরিচালকের থেকে পেশাগত সাহায্য পাই, সেইজন্যই ওই মেসেজটা করেছিলাম।”

আরও পড়ুন- চালু হচ্ছে বারকোড ট্র্যাকিং সিস্টেম, এবার সরকারি হাসপাতালের মেডিক্যাল বর্জ্যে নজরদারি চালাবে প্রশাসন

 

Related articles

‘কোনো রেজিস্টার ছিল না’, ধ্বংসস্তূপে ঠিক কতজন আটকে স্পষ্ট নয় প্রশাসনের কাছেও

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে ঠিক কতজন শ্রমিক সেই সময়ে কাজ করছিলেন, সঠিক কোনও হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। ওই গুদামে...

মিলল না স্বস্তি! সুমিতকে আগাম জামিন দিল না হাই কোর্ট

তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banrjee) আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে (Sumit Ray) এখনই আগাম জামিন দিল...

আর জি কর মামলায় CBI-কে ভর্ৎসনা হাই কোর্টের, কী দাবি পরিবারের

আর জি কর হাসপাতালের (RG Kar Case) তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুন মামলায় সিবিআই-এর ভূমিকা নিয়ে ফের অসন্তোষ...

ডুরান্ডের দিনক্ষণ ঘোষণা, কলকাতা লিগে একই গ্রুপে মোহন-ইস্ট

ঢাকে কাঠি পরে গেল নতুন মরশুমের। একইদিনে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup)এবং কলকাতা লিগের(CFL) গ্রুপ বিন্যাস হল। একইসঙ্গে সরকারিভাবে...