Friday, June 26, 2026

বন্যা বিপর্যস্ত পাশকুড়া, পরিদর্শনে গিয়ে অধিকারিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা কুণাল-দেবাংশুর

Date:

Share post:

বন্যার জলে বিধ্বস্ত বাংলার একাধিক জেলার মানুষ। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনিক আধিকারিক থেকে সাংসদ বিধায়কদের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, ত্রাণ ও বাসস্থানের দায়িত্ব নিয়ে ‘মাঠে নামা’র নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কংসাবতী নদীর বাঁধ ভেঙে ইতিমধ্যে কোমর সমান জল পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) জেলার পাঁশকুড়াতেও (Panskura)। সেই সব এলাকা এবার পরিদর্শনে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ ও তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।শনিবার সকাল থেকেই পাঁশকুড়ার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন তারা। এদিন তারা দেড়িয়াচক, ভোগপুর সহ একাধিক বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন কুণাল (Kunal Ghosh) ও দেবাংশু (Debangshu Bhattacharya)। সেখানকার মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের পাশে দাঁড়ান তারা। পাশাপাশি উপযুক্ত ত্রাণের বিষয় নিয়েও ব্লক প্রশাসনে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। এদিন মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থা ডিভিসিকে (DVC) এই ঘটনার জন্য দায়ী করেন কুণাল ও দেবাংশু।

এদিন কুণাল বলেন, “এলাকার যে সমস্যাগুলো যেমন খাল সংস্কার, যা বামফ্রন্টের (Left Front) আমলে হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এসেছেন তিনি যার (নাম না করে শুভেন্দুকে খোঁচা) চোখ দিয়ে দেখেছেন তিনি কোনও কাজ করেননি। তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। স্থানীয় মানুষের কিছু সমস্যা রয়েছে তার জন্য আমি সভাপতির সঙ্গে কথা বলব। তেমন হলে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলব। এই পরিস্থতিতে তমলুকের সাংসদ কোথায়? ভোটে শুধু জিতলে হবে মানুষকে সাময়িক বিভ্রান্ত করে দিয়ে? বন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মন্ত্রী-আমলা-সাংসদ-নেতা -কর্মী সকলে কাজ করছেন। দলের জনপ্রতিনিধিরাও কাজ করছেন।”

বন্যা পরিস্থিতির পরে কার্যত প্রকাশ্যে উঠে এসেছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পরিকল্পনার ব্যর্থতা। তিনি এই এলাকার দায়িত্ব নিয়েও যে কীভাবে ব্যর্থ তা তুলে ধরতে গিয়ে কুণাল বলেন, “শুভেন্দু দীর্ঘদিনে তো এই এলাকায় ছিলেন। কেন তিনি এসমস্ত কাজ করে যাননি? সেই কারণে এই জল সমস্যা। সেই কাজগুলো আমাদের করতে হবে। সাধারণ মানুষকে ভোগানোর জন্য কেন্দ্র এই কাজ করেছে। ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জলে দক্ষিণবঙ্গ ডোবে আর ভুটানের (Bhutan) জলে উত্তর ডোবে। জলস্তর নিয়ন্ত্রণে না থাকার জন্য জাতীয় সড়কে গাড়ি বন্ধ করা হয়েছিল। বন্যা রোধের যে প্রকল্পগুলো তার জন্য অসম-সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি টাকা পেতে পারে কিন্তু বাংলা পায় না। ”

Related articles

নবান্নে কাকলি-শতাব্দী-সুদীপ: শুভেন্দু-সাক্ষাতে কী কথা!

তৃণমূলে বিক্ষোভ দেখিয়ে কমপক্ষে ১৯জন সাংসদ নিয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার (Kakoli Ghoshdastidar। জানিয়েছেন তাঁরা...

নেই হাজিরা, মামলা নিষ্পত্তিতে অনীহা, নতুন সরকারের আইনজীবী প্যানেল নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এবার নতুন সরকারের সরকারি আইনজীবী প্যানেল নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতে...

ধান্দাবাজরা চলে গিয়েছে! আসল সম্পদ কর্মীরাই, তৃণমূলই থাকবে: বার্তা নেত্রীর

যারা চলে গিয়েছে যেতে দিন। নিজেকে আর পরিবার বাঁচাতে ধান্দাবাজরা বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। কিন্তু যাদের ঘাম-রক্ত-পরিশ্রম-আত্মত্যাগের বিনিময়ে...

দিদির সঙ্গেই আছি, থাকব! দুর্যোগ উড়িয়ে শপথ জেলা তৃণমূলের কর্মিসভায় 

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল দুর্যোগ শহরজুড়ে। জল থইথই অবস্থা সর্বত্র। এই দুর্যোগের মধ্যেও ভিড়ে উপচে পড়ল...