Monday, April 6, 2026

কীর্তি আজাদকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার দিল্লি ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হলেন রোহন জেটলি

Date:

Share post:

দ্বিতীয়বার দিল্লি ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হলেন অরুণ জেটলির পুত্র রোহন জেটলি। তিনি বিরাট ব্যবধানে হারালেন কীর্তি আজাদকে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার দিল্লি ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হলেন রোহন জেটলি । তিনি ভোট পেয়েছেন ১৫৭৭টি। অন্যদিকে কীর্তি আজাদের প্রাপ্ত ভোট ৭৭৭টি। রোহনের শিবিরের অন্য প্রার্থীরাও জয় পেয়েছেন।

দিল্লি ক্রিকেট সংস্থায় মোট ভোট ২৪১৩। সভাপতি হতে প্রয়োজন ১২০৭ ভোট। আর সেখানে রোহন পেয়েছেন ১৫৭৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী আজাদ পেয়েছেন ৭৭৭ ভোট। শুধু রোহন একা নন, তাঁর শিবিরের প্রত্যেকেই জিতেছেন। ১২৪৬ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিকে খন্নার কন্যা শিখা কুমার। তিনি হারিয়েছেন রাকেশ কুমার বনশলকে। তার ভোট ৫৩৬। ও সুধীর কুমার আগরওয়ালকে । তাঁর ভোট ৪৯৮। দিল্লি ক্রিকেট সংস্থার সচিব হয়েছেন অশোক শর্মা। তিনি পেয়েছেন ৮৯৩ ভোট। ১৩২৮ ভোট পেয়ে কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন হরিশ সিংহ। যুগ্মসচিব হয়েছেন অমিত গ্রোভার। তিনি পেয়েছেন ১১৮৯ ভোট। সাত জন ডিরেক্টর নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই রোহন শিবিরের।

২০২০ সালে প্রথমবার ডিডিসিএ-তে প্রথমবার নির্বাচিত হয়েছিলেন রোহন জেটলি। সেবার তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। পরের বছর সভাপতি পদে তিনি হারিয়েছিলেন বিকাশ সিংকে।

আরও পড়ুন- ফলো অন বাঁচাতেই উচ্ছ্বাসে বিরাট-গম্ভীর-রোহিতরা, ভাইরাল ভিডিও, সমালোচনায় নেটিজেনরা

Related articles

ভোট-বৈতরণী পার হতে ‘সহজপাঠ’ হাতিয়ার সিপিএমের, নিন্দা তৃণমূলের

বাংলায় ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিল সিপিএম (CPIM)। কিন্তু বর্তমান রাজনীতির ময়দানে কার্যত শূন্য তারা। এবার অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে...

উত্তরপ্রদেশ থেকে ২০০ গাড়ি সেনা, ইভিএম মেশিনে চিপ! সতর্ক করলেন মমতা

নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে যে পদ্ধতিতে কারচুপি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কেন্দ্রের বিজেপি সরকার করে এসেছে, তার পর্দা...

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতেও মুক্তি নয়, পকসো মামলায় কড়া বার্তা গুয়াহাটি আদালতের

প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করা যায় না। পকসো মামলার শুনানিতে এই মন্তব্য করল গুয়াহাটি হাইকোর্ট...

মানুষের কাজ যে করবে সেই প্রার্থী: নাম না করে তপন চট্টোপাধ্যায়কে নিশানা তৃণমূল সুপ্রিমোর

“কেউ কেউ আছে কাজ করবে না, কিন্তু সারাজীবন তাঁকেই প্রার্থী করতে হবে। না দল সেটা কোনওদিনই করবে না“।...