শনিবার সকাল ছটায় শেষবার তার সংকেত মিলেছিল, তারপর থেকে যেন উধাও হয়ে গেছে বাঘিনী জিনাত (Zeenat Tigress missing)। কোথায় গেল সে? দুশ্চিন্তা আর আশঙ্কা নিয়ে কাঁকড়াঝোড় ও ময়ূরঝর্ণার জঙ্গল তন্নতন্ন করে খুঁজে চলেছেন বন দফতরের কর্মীরা। কটাচুয়ার জঙ্গল থেকে বাঘিনী নতুন জায়গায় প্রবেশের পর থেকেই বেমালুম বেপাত্তা!জিনাতের (Zeenat Tigress) গলায় থাকা রেডিও কলারের সিগন্যাল ট্র্যাক করার চেষ্টা চলছে। যত সময় এগোচ্ছে, যতই বনকর্মীদের মনে প্রশ্ন জাগছে তাহলে কি বাঘিনী আবার অন্য কোথাও নিজের আস্তানা খুঁজে নিয়েছে?

ছোট ছোট পাথুরে টিলা আর ঘন জঙ্গলের ঘেরা কাঁকড়াঝোড় ও ময়ূরঝর্ণা। এদিন সকাল ছটায় শেষবার বাঘিনীকে ট্র্যাক করা গেছিল। দুর্গম এই এলাকায় বুনো হাতির উপদ্রব থাকায় বনকর্মী এবং আধিকারিকরা সদলবলে জঙ্গলে প্রবেশ করতে পারছেন না। সিমলিপাল টাইগার রিজার্ভ ফরেস্ট (Simlipal Tiger Reserve Forest) থেকে আনা রেডিও কলার ট্র্যাকার অ্যান্টেনার সর্বোচ্চ ক্ষমতা এক কিলোমিটার। অর্থাৎ বাঘিনী যেখানে অবস্থান করছে এখান থেকে এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে থাকলে তবেই এই অ্যান্টেনা সিগন্যাল দিতে পারবে। তাহলে কি এর থেকে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে ফেলেছে প্রাণীটি ? জঙ্গল থেকে ঝাড়খন্ড (Jharkhand) ও ওড়িশার সীমানা (Odisha Border) খুব একটা বেশি দূরে নয়। তাই ভিন রাজ্যে চলে যাওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছেনা।

বেলপাহাড়িতে বাঘিনীর তদারকি করতে সুন্দরবন ও গৌহাটি থেকে ৮ জন বাঘ বিশেষজ্ঞ পৌঁছেছেন বলে খবর। রেডিও কলার ট্র্যাকার অ্যান্টেনা নিয়ে ৬টি টিম জঙ্গলে তল্লাশি চালাচ্ছে। পাশাপাশি এলাকায় চলছে মাইকিং। জঙ্গলপথে যাতায়াতের ক্ষেত্রে গ্রামবাসীদের বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া জঙ্গলে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন দফতর। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন জায়গায় খাঁচার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সতর্ক পুলিশ ও প্রশাসন।

–


–


–

–

–

–
–

–
