রিয়াল মাদ্রিদ অসাধারণ এক জয়ে পরপর তিনবার জয়ের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছে।অতিরিক্ত সময়ে আন্তোনিও রুডিগারের হেড রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে দলকে ফেরায় ৪-৪ সমতায়। তার সঙ্গে প্রথম লেগের ১-০ গোলের জয় যোগ করে দলটা সামগ্রিক লড়াইয়ে পেয়ে যায় ৫-৪ গোলের দারুণ এক জয়। যা তাদের কোপা দেল রের ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছে।

বলা যেতে পারে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বাজিমাত রিয়াল মাদ্রিদের। ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়াদাদের সঙ্গে ৪-৪ ড্র করেও কোপা দেল রে টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভিনিসিয়াস জুনিয়ররা। নির্ধারিত সময়ে সোসিয়াদাদ জিতেছিল ৪-৩ গোলে। দুই পর্ব মিলিয়ে ফল ৪-৪ হওয়াতে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর ১১৫ মিনিটে আন্তোনিও রুডিগারের গোলে ৪-৪ করেছে রিয়াল এবং ফাইনালের টিকিটও আদায় করে নিয়েছে। সব মিলিয়ে এক মহানাটকীয় ম্যাচের সাক্ষী রইল স্যান্তিয়াগো বার্নাব্যু।

ঘরের মাঠে ১৬ মিনিটেই পিছিয়ে পড়েছিল রিয়াল। সোসিয়াদাদের হয়ে গোল করেন আন্দের বারেনেতচিয়া। যদিও ৩০ মিনিটে ভিনিসিয়াসের চমৎকার থ্রু থেকে বল পেয়ে ১-১ করে দেন এনড্রিক। কিন্তু ৭২ মিনিটে ডেভিড আলবার আত্মঘাতী গোলে ফের পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। ৮০ মিনিটে ১-৩ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছিল রিয়াল। এবার সোসিয়াদাদের হয়ে গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। দু’মিনিটের মধ্যেই জুড বেলিংহ্যামের গোলে ২-৩ করে ফেলে রিয়াল। ৮৬ মিনিটে ৩-৩ করেন আরলিয়েঁ চুয়ামেনি।

কিন্তু নাটকের তখনও বাকি ছিল। সংযুক্ত সময়ে ফের ওয়ারজাবালের গোলে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সোসিয়াদাদ। গোটা বার্নাব্যু যখন আশঙ্কায় দুলছে, তখনই রুডিগারের গোলে স্বস্তি ফেরে। সতীর্থ আর্দা গুলেরের নেওয়া কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান তিনি। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে রিয়াল সমর্থকদের। ম্যাচের পর উচ্ছ্বসিত রুডিগার বলেছেন, ‘‘খুব কঠিন একটা ম্যাচ ছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা ফাইনালে উঠেছি, তাই দারুণ খুশি। গোলটা করে খুব তৃপ্তি পেয়েছি। তবে নিখুঁত কর্নারের জন্য গুলেরের প্রশংসা করতেই হবে।’’


রিয়াল মাদ্রিদের ট্রেবল জয়ের আশা এখনও বেঁচে আছে। তারা লা লিগায় বার্সেলোনার চেয়ে তিন পয়েন্ট পিছিয়ে আছে। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ আর্সেনাল। আর কোপা দেল রের শিরোপা জয়ের জন্য তারা লড়ছে ২১তম বার।


–

–

–

–
–

–

–