আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস (LSG) মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে (MI) ১২ রানে পরাজিত করেছে। এই রোমাঞ্চকর ম্যাচে মুম্বই ২০৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে ব্যর্থ হয়। এলএসজি প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ২০৩/৮ রান তুলেছিল। মুম্বইয়ের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দুর্দান্ত বোলিং করে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নেন।

ম্যাচের শুরুতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। হার্দিক পান্ডিয়া টসের সময় জানান, তাঁদের দলের তারকা ওপেনার রোহিত শর্মা হাঁটুর চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারছেন না। এলএসজি-র অধিনায়ক ঋষভ পন্থ আবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন, মাত্র ২ রান করে আউট হন। তবে, মিচেল মার্শ এবং এইডেন মার্করামের অসাধারণ ব্যাটিং দলকে শক্তিশালী জায়গায় পৌঁছে দেয়।

ম্যাচ ছিল মুম্বইয়ের হাতের মুঠোয়। কিন্তু সেখান থেকে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। শেষ ওভারে নায়ক হয়ে উঠলেন আবেশ খান। মুম্বই জার্সিতে সেঞ্চুরি ম্যাচে নেমেছিলেন সূর্যকুমার যাদব। রান তাড়ায় ৪৩ বলে ৬৭। দুর্দান্ত একটা ইনিংস উপহার দেন। কিন্তু স্কাই আউট হতেই লখনউ শিবিরে আশার আলো। তিলক ভার্মার সঙ্গে ক্রিজে তখনও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্য়াপ্টেন হার্দিক পান্ডিয়া উপস্থিত। ফলে যতক্ষণ না ম্যাচের শেষ ডেলিভারিটা ঠিকঠাক হচ্ছে, কেউ বলতে পারে না, রেজাল্ট কোন দিকে যাবে।

ওভারের প্রথম ডেলিভারিতে ছয় এলে, যে কোনও বোলার চাপে পড়তে বাধ্য। আর এমন পরিস্থিতিতে হার্দিকের ম্যাচ জেতানোর অভিজ্ঞতা নেহাৎ কম নয়। সেটা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট হোক আর আন্তর্জাতিক। কিন্তু তিলককে পরিবর্তনের সিদ্ধান্তেই কি ডুবল মুম্বই? এই প্রশ্ন উঠছে। শেষ ওভারে মাত্র ৯ রান ওঠে।


–


–

–

–

–
–

–

–
–
–