১৩ মে। ইতিহাস গড়ার সেই অবিস্মরণীয় দিনের ১৪ বছর পূর্ণ হল। ২০১১ সালের এই দিনেই বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে গঠিত হয়েছিল মা-মাটি-মানুষের সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজভবনে শপথগ্রহণের পর রাইটার্স বিল্ডিং পৌঁছে সেদিন প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী।

সেদিন ছিল জনতার ঢল। পরিবর্তনের আবহে বাংলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল আশার আলো। সেই আশাকেই পাথেয় করে বিগত ১৪ বছরে নানা বাধা পেরিয়ে, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধেও শক্ত অবস্থানে থেকেছে রাজ্য সরকার। পাহাড় থেকে জঙ্গলমহল, সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছেছে।

প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী পাহাড় ও জঙ্গলমহলের উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন। এরপর থেকে একে একে চালু হয়েছে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, সবুজ সাথীর মতো একাধিক সামাজিক প্রকল্প—যার অনেকগুলোই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। আজ বাংলায় প্রায় ৯৪টি সামাজিক প্রকল্প সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

দুয়ারে সরকার, পাড়ায় সমাধান—এই উদ্যোগের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে পৌঁছে দিয়েছেন মানুষের দোরগোড়ায়। দলীয় স্তরেও এই দিনটিকে ঐতিহাসিক সাফল্যের স্মারক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০১১ সালের ঐতিহাসিক ভাষণ, যেখানে তিনি বলেছিলেন—“এই জয় মা-মাটি-মানুষের জয়।”

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক একবছর আগে এই বার্তা আরও একবার রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৪ বছরের পথচলাকে নতুন মাত্রা দিল।
আরও পড়ুন – বাংলাদেশে নিষিদ্ধ আওয়ামী লিগ: গণতন্ত্রে কোপ, দাবি ভারতের বিদেশমন্ত্রকের

_

_

_

_


_

_

_

_

_