কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রীর বৈঠকে প্রশংসিত রাজ্যের হাম-রুবেলার (measles rubeola) টিকাকরণ কর্মসূচি। বাংলায় যেভাবে গুরুত্ব দিয়ে এই টিকাকরণ সফল করা হয়েছে তেমন দেশের আরও কোনও রাজ্যে নেই। তবে প্রশংসায় ভুলে না গিয়ে এই প্রক্রিয়াকে আরও সফল করতে বদ্ধপরিকর বাংলার প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে নতুন করে টিকাকরণের (vaccination) জন্য ২৩ পুরসভা এলাকায় অভিযান শুরুর নির্দেশ রাজ্যের।
রাজ্য সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে হাম ও রুবেলার মতো ছোঁয়াচে রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে তৎপর হয়েছে। সে-কারণে রাজ্যের ২৩টি পুরসভা এলাকায় বিশেষ টিকাকরণ অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওই পুর এলাকায় বহু শিশু এখনও এই দুটি রোগের টিকা নেয়নি। নারী ও শিশুকল্যাণ (WCDSWD), স্বাস্থ্য (Department of Health) এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর (UDMA) যৌথভাবে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

ইতিমধ্যেই ১০টি জেলাকে চিঠি দিয়ে এই সংক্রান্ত নির্দেশ পাঠিয়েছে। পুরসভাগুলিতে কীভাবে অভিযান চালাতে হবে, তা জানিয়ে পাঠানো হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP)। অভিযানে যেসব পুরসভা যুক্ত থাকবে, তার মধ্যে রয়েছে হাওড়া, ডায়মন্ড হারবার, কলকাতার একাধিক বরো, চন্দননগর, বিধাননগর প্রভৃতি। পঞ্চম জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা জানাচ্ছে, শহরাঞ্চলে এখনও প্রায় ১৬ শতাংশ শিশু হাম-রুবেলার (measles rubeola) টিকা পায়নি। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে—সেখানে কোনও শিশু টিকাবঞ্চিত রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

যেহেতু সমস্যা মূলত পুর এলাকায়, তাই নগরোন্নয়ন দফতরকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, হাম-রুবেলা (measles rubeola) রোধে একমাত্র কার্যকর উপায় হল টিকাকরণ (vaccination)। তাই ‘হাম-রুবেলা মুক্ত বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যে এবার শুরু হচ্ছে লক্ষ্যভিত্তিক টিকাদান অভিযান।

তবে বাংলার অবস্থান এই টিকাকরণে কী তা স্পষ্ট করে দেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিরোধীদের কুৎসার জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দফতরের একটি বৈঠকে যোগ দেয় সব রাজ্যগুলি। সেখানে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলার টিবি, রুবেলা, হামের টিকাকরণ অসম্ভবভাবে প্রশংসিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার প্রশংসা করেছে বাংলা কাজ করছে।

–

–

–
–
–
–
–
–
–

