Thursday, June 11, 2026

এলেন, দেখলেন, চলে গেলেন: বাংলার ভাঁড়ারে এবারও শূন্য ভরলেন প্রধানমন্ত্রী

Date:

Share post:

বিজেপি রাজ্য অসমে গিয়ে দেদার কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ঘোষণা। ফের ভোটমুখি বিহারে প্রকল্প নিয়ে দরাজ হাজিরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর। যেখানে ডবল ইঞ্জিন সরকার, কেন্দ্রের বরাদ্দ শুধুই সেখানে। অথচ অসম থেকে বিহার যাওয়ার পথে বাংলায় রাত্রিবাস ও সেনাবাহিনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও বাংলার মানুষের জন্য কিছুই বেরোলো না দেশের প্রধানমন্ত্রীর (Prime Minister) ঝুলি থেকে। এমনকি সেনার (Indian Army) অনুষ্ঠানেও বর্তমানের বার্তা না দিয়ে ভবিষ্যতের কথা বলেই প্রধানমন্ত্রীর চলে যাওয়ায় কটাক্ষ বাংলার শাসকদল তৃণমূলের।

বর্তমানের বাংলাদেশ, নেপাল, চিন প্রভৃতি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের প্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর মানোন্নয়ন ও তা নিয়ে আলোচনা কলকাতায় হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পূর্ব ভারতে সেনার গুরুত্ব যে ভারত সরকার নিরাপত্তার স্বার্থে বাড়ানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে, তা সোমবার থেকে ফোর্ট উইলিয়ামে হওয়া আলোচনাচক্র থেকেই স্পষ্ট। সেই সঙ্গে এই কনফারেন্সে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের (Ajit Doval) উপস্থিতিতে কনফারেন্সের গুরুত্ব বেড়েছে।

সোমবার ভারতীয় সেনার তিন বাহিনীর তিনদিনের এই কনফারেন্সে (Combined Commanders’ Conference) উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), সিডিএস অনিল চৌহান (Anil Chauhan, CDS)। সেখানে সেনাবাহিনীর সংস্কার ও ধারাবাহিকতার উপর আলোচনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিরক্ষার কৌশলগত দিক, আধুনিকীকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। তিনদিনের এই আলোচনা সভা মূলত জল, স্থল ও আকাশ – তিন বাহিনীর রূপান্তর নিয়ে চিন্তাভাবনার উপর। তিন বাহিনীর সমন্বয় সাধন নিয়ে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনার কথা পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

আরও পড়ুন: নেপালে পোড়া রাষ্ট্রপতি ভবনের বাইরেই শপথ: প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি সুদানের!

প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের পরিকল্পনাকেই কটাক্ষ বাংলার শাসকদল তৃণমূলের। রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, আমরা সবাই চাই আমাদের সেনাবাহিনী বিশ্বের এক নম্বর হোক। কিন্তু ভবিষ্যতের কথা না বলে এখন, বর্তমানে যা করা দরকার সেগুলো কেন হচ্ছে না। সেনায় শূন্যপদে নিয়োগ, অগ্নিবীরের বদলে স্থায়ী নিয়োগ, পরিকাঠামোর উন্নতি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যাতে পহেলগামের মতো জঙ্গিরা ভিতরে ঢুকে এসে মারতে না পারে। সেগুলো না করে ৪৭ সালের কথা শোনাচ্ছেন কেন।

Related articles

ইতিহাসের গৈরিকীকরণের অভিযোগ! প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিতর্কিত ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদ্‌যাপনের তোড়জোড় বিজেপির 

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আগামী ২০ জুন রাজ্যজুড়ে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিজেপি সরকার। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘোষণার পর...

আদালতের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল! ফলতায় ফের অভিযুক্তকে হাফ প্যান্ট পরিয়ে রাস্তায় হাঁটাল পুলিশ

আদালত স্পষ্ট জানিয়েছিল, পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে পারে, কিন্তু কোনোভাবেই কারও সম্মানহানি করতে...

কৃষকবন্ধুর বিদায়! কেন্দ্রের প্রকল্পে কপালে চিন্তার ভাঁজ বাংলার কৃষকদের

বন্ধ হয়ে গেল রাজ্যের কৃষকদের বড় ভরসা ‘কৃষকবন্ধু’ ও ‘বাংলা শস্য বীমা’ প্রকল্প। বর্তমান রাজ্য সরকার এই দুটি...

দেশজুড়ে বিক্ষোভের আগুন, পুনেতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমাবেশে উপচে পড়ল ভিড়

পরীক্ষা বিতর্ক ও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। এই আবহে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দেশব্যাপী...