Tuesday, April 21, 2026

বিজেপির এসআইআর ষড়যন্ত্র: ব্য়র্থ করে দিতে স্লোগান মুখ্যমন্ত্রীর

Date:

Share post:

বাংলায় হালে পানি পাচ্ছে না বিজেপি। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ‘আবকি বার ৪০০ পারে’র প্রচার মুখ থুবড়ে পড়েছে। এবার তাই ভোট-বৈতরণী পার হতে সাংবিধানিক সংস্থাগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছে। ভোট লুট করতে এখন এসআইআরের (SIR) নামে চক্রান্ত শুরু করেছে। বিজেপির এই ফন্দির বিরুদ্ধে আবারও গর্জে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লেখেন, বিজেপি বাংলায় হেরে এখন অর্থ আর শক্তির অপব্যবহার করে জয়লাভের চেষ্টায় নেমেছে। বিজেপির এই ষড়যন্ত্র (conspiracy) ব্যর্থ করে দিতে হবে।

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, এসআইআরের নামে ভোটারদের নামকাটার ফন্দি আঁটতে গিয়ে বাংলায় বিজেপি ‘লক্ষ্মণরেখা’ অতিক্রম করে গিয়েছে। যদি স্বচ্ছ ভোটার ব্যবস্থাই তাদের লক্ষ্য হবে, তাহলে কেন নির্বাচনমুখী চারটি রাজ্যের মধ্যে কেবল বিরোধী-শাসিত রাজ্যগুলিতে এসআইআর হচ্ছে? বিজেপি-শাসিত অসমকে (Assam) কেন অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে? যদি লক্ষ্যই হবে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া, তাহলে কেন কেবল বাংলাকে লক্ষ্য করা হবে? অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরামেও তো বাংলাদেশের (Bangladesh) সঙ্গে সীমান্ত (border) শেয়ার রয়েছে। তাহলে শুধুমাত্র বাংলাকে আলাদা করা হচ্ছে কেন। একইভাবে, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং মিজোরামের মতো রাজ্যগুলি মায়ানমারের (Mayanmar) সঙ্গে সীমান্ত শেয়ার রয়েছে, তাদেরও এসআইআর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কেন?

আরও পড়ুন: SIR ‘ষড়যন্ত্র’ আটকাতে জনসাধারণের পাশে তৃণমূলের লিগাল সেল: ১১ তারিখ কলকাতা থেকে শুরু, বিশেষ নজর উত্তরবঙ্গ-পূর্ব মেদিনীপুর

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, এর কারণ এসআইআরের নামে পিছনের দরজা দিয়ে এনআরসির (NRC) ষড়যন্ত্র রচনা করা। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা সেই পরিকল্পনাই করেছে। নাগরিক হিসেবে আমাদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা তাদের কে দিয়েছে? কে তাদের ক্ষমতা দিয়েছে আমাদের পিতা-মাতার জন্ম শংসাপত্র (birth certificate) দাবি করার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, আমাদের সভ্যতাকে দুর্বলতা ভেবে ভুল করবেন না। যদি বাংলার মানুষের কোনও ক্ষতি হয়, যদি একজনও প্রকৃত ভোটারকে অন্যায্যভাবে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে বাংলার মানুষ বিজেপিকে গদিচ্যুত করবে। ‘বিজেপি হটাও, অধিকার বাঁচাও’ স্লোগান দিয়ে দিল্লি স্তব্ধ করে দেবে। আমরা জমিদারদের এই স্পর্ধা মানব না। গণতান্ত্রিক উপায়ে আমাদের অধিকারের উপর এই আক্রমণকে ধূলিসাৎ করে দেব।

Related articles

নির্বাচনের মধ্যে ক্রমাগত সক্রিয় ইডি: তলব নুসরৎকে

২০২০ সালের মামলায় নতুন করে তলব প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ নুসরৎ জাহানকে। রেশন সংক্রান্ত জটিলতার মামলায় তলব (summoned) বলেই...

ঘরোয়া আলাপচারিতা থেকে মঞ্চে জনসভা: একই দিনে ভাবনীপুরে উভয় জনসংযোগে মমতা

গোটা রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের মধ্যেও নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরকে এতটুকু অবহেলিত রাখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদরা...

৪৮ ঘণ্টা নয়, এবার টানা চার দিন বন্ধ মদের দোকান! কড়া ফরমান আবগারি দফতরের

বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যে মদের কারবার নিয়ন্ত্রণে নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল আবগারি দফতর। ভোটের আগে মদের দোকান বন্ধ...

জার্মান সুন্দরীকে নিয়ে বিতর্কে জেরবার! অনুষ্কাকে নিয়েই বৃন্দাবনে শান্তির সন্ধানে কোহলি

অক্ষয় তৃতীয়ার দিন, বৃন্দাবনে(Vrindavan) প্রেমানন্দ মহারাজের আশ্রমে গেলেন বিরাট কোহলি আর অনুষ্কা শর্মা(Virat Kohli , Anushka Sharma)। আইপিএলের...