Thursday, May 14, 2026

রহস্যজনক! কে বানালো ভোটার তালিকা তৈরির অ্যাপ, কমিশনকে প্রশ্ন তৃণমূলের

Date:

Share post:

একদিকে রাজ্যের বাংলা সহায়তা কেন্দ্রের মারফৎ রাজ্যে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থাকা সত্ত্বেও নতুন করে ভোটার তালিকা তৈরির জন্য লোক নিয়োগ শুরু করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষ ও বিএলও-দের (BLO) ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে নতুন এআই অ্যাপ (AI app)। নির্বাচন কমিশনের বড়াই করে প্রচার চালানো এই অ্যাপ নিয়েই এবার প্রশ্ন তুললে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবার কমিশনের এক একটা কারচুপি ধরা পড়ার পরে তা নিয়ে কাটাছেঁড়া চলে। এবার অ্যাপ নির্ভর ভোটার তালিকা (voter list) তৈরি চলাকালীনই এই অ্যাপের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে (Saket Gokhale)।

বাড়ি বাড়ি ইনিউমারেশন ফর্ম (enumeration form) ফিলাপ চলাকালীন বিএলও-দের যে অ্যাপে ভোটারদের সব তথ্য তুলতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা সরাসরি কমিশনের ইলেক্ট্রনিক খাতায় তালিকাভুক্ত হবে। সেই অ্যাপের মাধ্যমেই না কি ভুয়ো ভোটার যাচাই হবে। যেখানেই ডুপ্লিকেট ভোটারের (duplicate voter) সম্ভাবনা তৈরি হবে, সেখানেই এই অ্যাপই তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কাজ করবে।

সেখানেই তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলের তিনটি প্রশ্ন। নির্বাচন কমিশন তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই অ্যাপ ও তার কার্যকারিতা সম্পর্কে কোনও বিস্তারিত তথ্য পেশ করেনি। সেখানেই যে প্রশ্ন আসে তা প্রথমত, এই অ্যাপের নির্মাতা ও বিক্রেতা কারা? দ্বিতীয়ত, এআই সংক্রান্ত যোগ্যতামানগুলি কী এই অ্যাপ (App) পাশ করেছে? তৃতীয়ত, বর্তমানের পিডিএফ সফটওয়্যারের (software) মাধ্যমেই যখন ডুপ্লিকেট ভোটার খোঁজা সম্ভব, তখন এই এআই অ্যাপের (AI app) নতুন করে কী প্রয়োজন?

আর এই সব প্রশ্নই উঠেছে কমিশনের পুরোনো কারচুপির ঘটনা থেকেই। সাকেত সেই ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ২০১৯ সালে মুখোশ খুলেছিল কমিশনের যখন মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) বিজেপির আইটি সেলের (IT cell) সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত একটি সংস্থাকে দিয়ে কাজ করিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন : এসআইআরের চাপ, হৃদরোগে আক্রান্ত বিএলও

সেই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই এআই অ্যাপ সংক্রান্ত তথ্যে কেন এত গোপণীয়তা অবলম্বন করছে কমিশন? কী নিশ্চয়তা রয়েছে যে এই অ্যাপ বিজেপির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত কোথাও তৈরি হয়নি? যে ধরনের সন্দেহজনক পদ্ধতিতে এই এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তাতে কমিশনের জিরো স্বচ্ছতা (zero transparency) প্রমাণিত হয়েছে। ইসিআই কেন নিজেদের স্বচ্ছতা প্রমাণ করতে পারছে না?

Related articles

সাসপেন্ড দমকল আধিকারিক: তিলজলার ঘটনায় কর্পোরেশনকে নোটিশ, জানালেন অগ্নিমিত্রা

তিলজলার আগুনের ঘটনায় একের পর এক পদক্ষেপ বর্তমান রাজ্য সরকারের। বুধবারই ভাঙা শুরু হয়েছে বাড়ি। জমা পড়েছে দমকল...

টলিউডে ক্ষমতার পালাবদল: চার বিধায়ককে দায়িত্ব দিলেন শুভেন্দু

বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক ঝাঁক কৃতি তারকা এবার বিজেপির বিধায়ক হিসাবে রাজ্যে জায়গা করে নিয়েছেন। সেই সময়ই টলিউডে...

মজাদার চ্যালেঞ্জে ‘মুচমুচে’ প্রমাণ, বিশ্বের সেরা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজের দাবি ওয়াও মোমোর

ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে কে না ভালোবাসে! কিন্তু গরম প্যাকেট খোলার কিছুক্ষণ পরেই তা নেতিয়ে গেলে মন খারাপ হওয়াটাই...

পাঁচ টাকায় এবার মাছে-ভাতে বাঙালি, আমজনতার পাতে বড় চমক রাজ্যের 

বাঙালির পাতে এবার শুধু ডিম নয়, জায়গা করে নিতে চলেছে মাছও। রাজ্য সরকারের নতুন পরিকল্পনায় এবার মাত্র পাঁচ...