দেশের সর্বোচ্চ সিগারেট উৎপাদক সংস্থা ITC-এর শেয়ারে (share market) বড় ধস! বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপর নতুন কর বৃদ্ধির ঘোষণার কথা প্রকাশ করা হয়েছে। এরপরেই দেশের ITC-এর শেয়ারে এই রকম উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গিয়েছে।
কেন্দ্রের ঘোষণাতেই বড় ধাক্কা! দেশের সর্বোচ্চ সিগারেট উৎপাদক সংস্থার শেয়ার তলানিতে
Sponsored

বুধবার মোদি সরকারের নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সাল থেকে তামাক ও বিড়ির ওপর কার্যকরভাবে ৪০ শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সিগারেট, তামাক ও বিড়ির ওপর কার্যকরভাবে ৪০ শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হবে। এই নতুন কাঠামোতে মূল ২৮ শতাংশ জিএসটির সঙ্গে এক্সাইজ ডিউটি কর ও ন্যাশনাল ক্যালামিটি কনটিনজেন্ট ডিউটি কর এক করা হয়েছে।
ডিসেম্বরে সংসদ কেন্দ্রীয় এক্সাইজ (সংশোধনী) বিল, ২০২৫ অনুমোদন করেছে, যা সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপর শুল্ক বৃদ্ধির পথ সুগম করেছে। বর্তমানে ভারতের সিগারেটে মোট কর খুচরা মূল্যের প্রায় ৫৩ শতাংশ, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)–এর ৭৫ শতাংশের মানদণ্ডের তুলনায় অনেক কম। এই WHO মানদণ্ড তৈরি করা হয়েছে তামাক সেবন কমানোর উদ্দেশ্যে। আরও পড়ুন: বর্ষবরণের রাতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা সুইজারল্যান্ডে! এড়ানো গেল না মৃত্যুও
কিন্তু এই ঘোষণার দিনেই ITC-র শেয়ারে একটি বড় ব্লক ডিল সম্পন্ন হয়, যেখানে সংস্থার মোট ইক্যুইটির প্রায় ০.৩ শতাংশ শেয়ার, অর্থাৎ চার কোটি শেয়ারের লেনদেন হয়েছে। গড়ে শেয়ারের দাম ছিল প্রায় ৪০০ টাকা, যার মোট লেনদেনের অঙ্ক দাঁড়ায় ১,৬১৪ কোটি টাকা। ITC-এর জন্য সিগারেট ব্যবসা এখনও মূল আয়ের প্রধান উৎস। গত সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে এই বিভাগের আয় বেড়ে ৮,৭২২ কোটি টাকা হয়েছে, যা সংস্থার মোট আয়ের প্রায় ৪৮ শতাংশ। তবে বৃহস্পতিবার শেয়ার ৭.৯৫ শতাংশ কমে ৩৭০ টাকায় নেমে আসে।
বিশেষজ্ঞদের মতে নতুন কর কাঠামোর কারণে খুচরা মূল্য বেড়ে গেলে চাহিদা কমতে পারে, যা সংস্থার লাভজনকতা ও শেয়ার বাজারে প্রভাব ফেলবে। ITC-র শেয়ার ২০২৫ সালে ইতিমধ্যেই প্রায় ১২ শতাংশ নেমেছে।
-
-
-
-
-
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













