সাংসদ বিধায়ক দ্বন্দ্ব মেটাতে এগিয়ে এলেন আরেক সাংসদ। বিধানসভা নির্বাচনে যাতে কোনওভাবেই নিজের বা আশেপাশের এলাকায় দল শক্তি না হারায়, এবার তার দায়িত্ব কার্যত তুলে নিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। পরের কথায় কান না দিয়ে দলের স্বার্থে সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee) ও বিধায়ক অসিত মজুমদারকে (Ashit Majumder) হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার সূচনা করলেন কল্য়াণ।

গত প্রায় ছয়মাস ধরে যে হুগলি (Hooghly) লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও চুঁচুড়ার (Chuchura) বিধায়ক অসিত মজুমদারের দ্বন্দ্ব চলছিল, তা প্রকাশ্যে এসে গিয়েছিল। তবে দলের গুরুত্ব যে সাংসদ ও বিধায়ক উভয়ের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ তা তাঁরা দুজনেই শনিবার প্রমাণ করলেন। একে অন্যের সঙ্গে কর্মসূচিতে যাবেন না জানালেও শনিবার এসআইআর (SIR) নিয়ে আলোচনায় দুজনেই যোগ দেন চুঁচুড়ায়। কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Kalyan Banerjee) উদ্যোগই তার পিছনে মূল ভূমিকা নিয়েছিল।

আরও পড়ুন : জোড়াফুল থেকে হাতে ফিরলেন মৌসম! যোগদানের পরেও তৃণমূল সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য নয়
রচনা-অসিত সমস্যার সমাধানে বারবার সামনে আসবেন বলে শনিবার দাবি করেন কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ২০২৬-এর নির্বাচন। সেখানে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে এসে কার সঙ্গে কার মত বিরোধ দেখলে হবে না। দলের সবাইকে সবকিছু কর্মসূচি জানাতে হবে। মে মাস পর্যন্ত আমরা দলে একত্রিত হয়ে কাজ করব নির্বাচনের জন্য। অসিত মজুমদারের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটাতে হবে। কাজের ক্ষেত্রে মতবিরোধ হতে পারে আমাদের সঙ্গে। আগামী দিনে যাতে না হয় তার চেষ্টা করব।

তবে সাংসদ ও বিধায়ক – দুজনেরই প্রশংসা এদিন সাংসদ কল্যাণের মুখে। তাঁকেই দল এই বিরোধ মেটানোর দায়িত্ব দিয়েছিল। আর সেই কাজে একেবারে প্রথম ম্যাচেই জয়। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রচনা খুব ভালো মেয়ে , খুব ভালো কাজ করছে লোকসভায়। অন্যদিকে অসিত মজুমদারও খুব ভালো কাজ করে কিন্তু ওর মুখ ভালো নয়। ও লোকের কথা শুনে। দুজনে কেউ যেন কান পাতলা না হয় সমাস কাজ করো ঠিক করে। তারপর দুজনকে লাঠি দেবো তারপর মারামারি করবে।

–

–

–

–

–


