ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে নাটকীয় পরিবর্তন, অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ডেলসি রড্রিগেজের(Delcy Rodrigues)। আপাতত তিনিই দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব সামলাবেন (Interim President of Venezuela) বলে জানা গেছে। আদালতের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে যে, বর্তমান রাষ্ট্রপতির ‘বাধ্যতামূলক অনুপস্থিতি’র ফলে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও সরকারি শাসনব্যবস্থা সচল রাখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

৫৬ বছর বয়সী ডেলসির জন্ম কারাকাসে। আইন নিয়ে পড়াশোনা করার পর গত এক দশক ধরে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত। ২০১৩-১৪ তে কমিউনিকেশন ও ইনফরমেশন মন্ত্রী ছিলেন। তারপর ২০১৭ পর্যন্ত বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলান। নিকোলাস মাদুরোর (Nicolas Maduro) অনুপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে কুরসিতে বসেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে হুংকার ডেলসির। ভেনেজুয়েলা কারোর দাসত্ব করবে না তা জানিয়ে অবিলম্বে বর্তমান প্রেসিডেন্টের মুক্তির দাবি করেছেন তিনি।

মার্কিন আগ্রাসন এবং হামলায় ভেনেজুয়েলার প্রতি ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। শনিবারের বিমান হামলা আর মুহুর্মুহু গোলাবর্ষণে নিজেদের ক্ষমতা জাহির করে আমেরিকা। মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রীকে বন্দী করে নিউ ইয়র্কের ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। ট্রাম্প (Donald Trump) বার্তা, “যতক্ষণ না নিরাপদ, সঠিক এবং ন্যায়সঙ্গত ভাবে কাউকে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতায় বসানোর সুযোগ হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরাই ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করব। আপাতত আমরা অন্য কাউকে ক্ষমতায় বসাতে চাই না। গত দীর্ঘ সময় ধরে এখানে যে পরিস্থিতি ছিল, এখনও সেই অবস্থাই রয়েছে। তাই আমরাই দেশ চালাব।” এবার দায়িত্ব গ্রহণ করেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের নিন্দা করেছেন ডেলসি। তিনি বলেন, “ভেনেজুয়েলা কোনওদিন কোনও সাম্রাজ্যের উপনিবেশ হবে না। কারও দাসত্ব করবে না।” আমেরিকার আদালতে মাদুরোকে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয় এখন সেটাই দেখার।
–

–

–

–

–

–

–
–


