নতুন বছরের শুরুতেই সরগরম কলকাতা ময়দান। বেটিং থেকে ম্যাচ ফিক্সিং একাধিক ইস্যুতে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। খোদ আইএফএ-র দুই সহ সভাপতিই মুখ খুলেছেন সচিবের বিরুদ্ধে। এবার পাল্টা মুখ খুললেন আইএফএ-র(IFA) সচিব অনির্বাণ দত্ত (Anirban Dutta)।

বিরোধীদের বেটিং নিয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অনির্বাণ(Anirban Dutta) বিশ্ব বাংলা সংবাদকে জানিয়েছেন, “বেটিং আগেও কলকাতা ময়দানে হত ২০১৮ সালে এক ফুটবলার ধরা পড়েছিলেন কিন্তু আমরা স্বমূলে বিষয়টি উৎখাত করতে চেয়েছি। তাই ভারতবর্ষের প্রথম আমরা এই বিষয়ে পুলিশের অভিযোগ করি। আমি ধন্যবাদ জানাবো কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মাকে। তিনি কড়া হাতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়েছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছেন। আমরা চাই বিষয়টি আরও গভীর তদন্ত হোকষ এবং যারা দোষী তারা শাস্তি পাক।”

আইএফএ-র অন্যতম স্পনসর শ্রাচি গ্রুপকে এই বিতর্কের মধ্যে যুক্ত করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে অনির্বাণ বলেছেন, “কয়েকদিন আগেই শ্রাচির কর্তারা আইএফএ অফিসে এসেছিলেন তা্রা বলেছেন যেভাবে প্রচার হচ্ছে তাতে গোটা বিষয়টি তদন্ত হোক। তাতে সত্যি বেরিয়ে আসবে। প্রথমবার বেঙ্গল সুপার লিগ হচ্ছে তার সুনাম যেন থাকে। আমরা কোনও সংস্থাকে রক্ষা করছি না। আমরা চাই সব কিছু তদন্ত হোক। কেউ কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেই সেটা প্রমাণ হয়ে যায় না।”
এখানে থেমে না থেকে সচিব আরও বলেন, “ফুটবল চালাতে গেলে টাকার প্রয়োজন হয়। আইএফএ একটি স্বশাসিত সংস্থা। প্রতিদিন ফুটবল খেলার অন্যান্য বিষয়ক খরচ আছে। এর জন্য স্পনসরের প্রয়োজন কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য। আইএফএ আর্থিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলতে চাইছে। এর আগেও একাধিক স্পনসরের বিরুদ্ধে তারা এই ধরনের বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন যাতে তারা চলে যায়। আইএফএ আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে যায়।”

ইতিমধ্যেই এক সহ-সভাপতি সৌরভ পাল পদত্যাগ করেছেন এই বিষয়ে সচিব জানিয়েছেন, “আমি শুনেছি তিনি পদত্যাগ করেছেন আমরা তার পদত্যাগের বিষয়টি গভর্নিং বডিতে আলোচনা করব ।” তবে অন্য সহ সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাস পদে আছেন।

–

–

–

–

–


