যতই অমিত শাহ এসে একসঙ্গে বৈঠক করে বঙ্গ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) ‘ভাব’ করিয়ে দিন না কেন, এক সুরে যে তাঁরা কথা বলছেন না তা স্পষ্ট হল বুধবার হাবড়ার বিজেপির জনসভায়। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) যখন বলছেন, এসআইআরের উপর ভরসা করে বিজেপি (BJP) বাংলায় নির্বাচন লড়ছে না, চাইলে SIR বন্ধ করে দিন, তখন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, এসআইআরের এর প্রথম পর্যায়ে যেভাবে নাম বাদ যাচ্ছে তাতে তৃণমূল আর ক্ষমতায় থাকবে না।

এদিন হাবড়ার কুমড়া বাজার সংলগ্ন মাঠে পরিবর্তন সংকল্প সভার আয়োজন করে বিজেপি (BJP)। সেখানেই শমীক বলেন, “এসআইআর হচ্ছে, এসআইআর চলবে। কিন্তু এসআইআরের উপর ভরসা করে বিজেপি বাংলায় নির্বাচনে লড়াই করতে আসেনি। এই মুহূর্তে এসআইআর বন্ধ করে দিন। ইডি, সিবিআইয়ের দফতরে তালা লাগিয়ে দিন। ইনকাম টেক্স, জিএসটিকে বলুন কোনও নোটিশ পাঠানো যাবে না।” তাঁর আশা, তা হলেও পশ্চিমবঙ্গের পদ্ম শিবির জিতবে।

তবে, একই সঙ্গে শমীক বলেন, “সাংসদ থাকাকালীন বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী নিয়ে লোকসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন। আর এখন অনুপ্রবেশকারী বাঁচাও যাত্রা তৈরি করছেন। এদিকে সৌগত রায় বলছেন এসআইআর তো হয়, হয়ে আসছে। আর তৃণমূলের অন্যরা বলছে এসআইআর মানবো না। এদিকে বিএলও’র পিছনে সব থেকে বেশি ঘুরছে তৃণমূল।”
সভা থেকে পুলিশকে হুঁশিয়ারিও দেন শমীক। বলেন, “সবাই সবকিছু করুন। আপনাদের চাকরি করতে হবে। সরকার বদলাচ্ছে। আপনাদের নাম, পদবি বদলাচ্ছে না। পুলিশের তকমা বদলাবে না।”

সভা শুরুর খানিকক্ষণ পর থেকেই সভাস্থল ফাঁকা হতে শুরু করে। যদিও সেকথা মানতে নারাজ দিলীপ ঘোষ। তবে বলতে উঠে শমীকের উল্টো সুরে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বলেন, “মৃত, অনুপস্থিত ভোটারদের ছাপ্পা ভোট দিয়ে জেতে, তাই এসআইআর নিয়ে চিৎকার করছে তৃণমূল। বর্ডার এলাকায় সব থেকে বেশি ভুয়ো ভোটার। এসআইআরের প্রথম পর্যায়ে যেভাবে নাম বাদ যাচ্ছে তৃণমূল আর ক্ষমতায় থাকবে না।”

আরও পড়ুন- বাংলাজুড়ে অশান্তি বাধানোর চেষ্টা মালব্যর! আসল ঘটনা ফাঁস পুলিশের

_

_

_

_
_


