স্টুডেন্টস উইকের সমাপ্তি দিনে রাজ্যের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সল্টলেকের ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাজ্যের একাদশ শ্রেণির ৮ লক্ষ ৫০ হাজার পড়ুয়ার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্যাব বা মোবাইল কেনার জন্য নির্ধারিত অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় স্তরের স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৯৭ জন পড়ুয়াকে এদিন পুরস্কৃত করা হয়।


অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) জানান, স্টুডেন্ট উইকের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র খেলাধুলায় সাফল্য পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কৃত করাই নয়, ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের আওতায় একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ডিজিটাল শিক্ষার সুবিধা বাড়াতে ট্যাব বা মোবাইল কেনার অর্থ সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হচ্ছে। এই প্রকল্পে মোট ৮ লক্ষ ৫০ হাজার পড়ুয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার পড়ুয়া কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত। শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, জাতীয় স্তরের স্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এ বছর ৪১টি বিভাগের মধ্যে বাংলার পড়ুয়ারা ২৯টি বিভাগে অংশ নিয়েছিল। প্রতিযোগিতায় রাজ্যের পড়ুয়ারা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। মোট ২৫ জন পড়ুয়া স্বর্ণপদক জিতেছে এবং সামগ্রিকভাবে রাজ্যের ঝুলিতে এসেছে ২৭৭টি পদক। পদকপ্রাপ্ত পড়ুয়াদের স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদকের ভিত্তিতে যথাক্রমে ১৫ হাজার, ১০ হাজার এবং ৭ হাজার টাকা করে পুরস্কার মূল্য দেওয়া হয়েছে। স্টুডেন্ট উইকের শেষ দিনের এই ঘোষণায় একদিকে যেমন ডিজিটাল শিক্ষার পরিসর আরও বিস্তৃত হল, তেমনই জাতীয় স্তরে ক্রীড়া সাফল্যের জন্য রাজ্যের পড়ুয়াদের প্রাপ্তিতে মিলল সরকারি স্বীকৃতি।


এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী অনুপ আগরওয়াল, অতিরিক্ত মুখ্য সচিব, কারিগরী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগ, শ্রী বিনোদ কুমার, প্রধান সচিব, বিদ্যালয় ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শ্রী সঞ্জয় বনসল, সচিব, অনগ্রসর কল্যাণ বিভাগ, শ্ৰী সিদ্ধার্থ মজুমদার, এস.এস.সি চেয়ারম্যান, শ্রী রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়, সভাপতি, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, শ্রী চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, সভাপতি, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, অন্যান্য বিভাগীয় সচিব ও আধিকারিকগণ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলির অধ্যাপক, বিদ্যালয়গুলির প্রধানশিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা, ২০২৫ সালের জাতীয় বিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজেতাগণ এবং অন্যান্য অভ্যাগতগণ।

আরও পড়ুন- কেন্দ্রের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের অভিঘাতে প্রাণহানি! ফের এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু রাজ্যে

_

_

_

_

_

_
_


