বাংলাদেশের যুবনেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা(Sheikh Hasina)। তাঁর অভিযোগ, এই ষড়যন্ত্র সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন। এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, হাদি হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। তবে এই ঘটনা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ছড়িয়ে পড়া অরাজকতা ও নির্বাচনী হিংসারই ফল। তাঁর মতে, শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা ঢাকতেই বিদেশি ষড়যন্ত্রের গল্প ফাঁদা হচ্ছে। হাদির হত্যার সঙ্গে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত অপপ্রচার। দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে। ভারতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছের বন্ধু বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেখ হাসিনার অভিযোগ, কিছু মৌলবাদী শক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করতে চাইছে। নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই এই উস্কানি। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকার এবং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর কথায়, ইউনূস সরকারের বিদেশনীতির পদক্ষেপ দূরদর্শিতাহীন ও বিপজ্জনক। আরও পড়ুন: তেল-যুদ্ধে ‘শাস্তি’র মুখে ভারত? পুতিনকে রুখতে এবার শুল্কের ব্রহ্মাস্ত্র ট্রাম্পের!

হাদি হত্যার পর থেকেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের পুলিশ দাবি করে, অভিযুক্তরা মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়েছে। সেই দাবি নাকচ করেছে মেঘালয় পুলিশ ও বিএসএফ। পরে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেখানে এক যুবক নিজেকে হত্যার অভিযুক্ত ফয়সাল বলে দাবি করে। সে জানায়, সে দুবাইয়ে রয়েছে। চার্জশিটে বাংলাদেশের পুলিশ জানায়, ভিডিওটি আসল বলেই তারা মনে করছে। হাদি হত্যাকে ঘিরে দোষারোপের রাজনীতি এখন দুই দেশের সম্পর্কেও প্রভাব ফেলছে। কূটনৈতিক মহলে বাড়ছে উদ্বেগ।
–

–

–

–

–

–

–


