গণতন্ত্রকে বিজেপি ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করেছে। রাজধানীর বুকে যেভাবে জনপ্রতিনিধিদের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে, তাকে ধিক্কার। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং দিল্লির পুলিশ প্রশাসনকে চড়া সুরে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, আমাদের সংসদ সদস্যদের প্রতি যে লজ্জাজনক ও অনৈতিক আচরণ করা হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে প্রতিবাদ করার গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে জনপ্রতিনিধিদের। কিন্তু তা দমন করার জন্য সাংসদদের রাস্তায় টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে যে বলপূর্বক কাণ্ড ঘটানো হল, তা আইন প্রয়োগ নয়। বরং এটি উর্দি পরা ঔদ্ধত্য। মনে রাখবেন, এটি একটি গণতন্ত্র বিজেপির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।

I strongly condemn the shameful and unacceptable treatment meted out to our Members of Parliament. Dragging elected representatives on the streets for exercising their democratic right to protest outside the Home Minister’s office is not law enforcement – it is arrogance in…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) January 9, 2026
মুখ্যমন্ত্রী সমাজমাধ্যমে আরও লেখেন, গণতন্ত্র ক্ষমতাসীনদের সুবিধার ওপর ভিত্তি করে চলে না। যখন বিজেপি নেতারা প্রতিবাদ করেন, তখন তারা লাল গালিচা ও বিশেষ সুবিধা আশা করেন। আর যখন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আওয়াজ তোলেন, তখন তাঁদের কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করার জন্য টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, আটক করা হয় এবং অপমান করা হয়। এই দ্বৈত নীতি বিজেপির গণতন্ত্রের ধারণাকেই ভুলুণ্ঠিত করে দেয়। আরও পড়ুন: মোদির ‘জেদে’ ভেস্তে গিয়েছে বাণিজ্যচুক্তি! শুল্কের বোঝা চাপিয়ে অজুহাত আমেরিকার

মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট কথা, সম্মান পারস্পরিক। আপনি আমাদের সম্মান করবেন, আমরাও আপনাকে সম্মান করব। আপনারা যদি আমাদের রাস্তায় নামান, তবে আমরাও পাল্টা দিতে বাধ্য হব। সহনশীলতার সাংবিধানিক ধারণা এবং গণতান্ত্রিক নৈতিকতার পাঠ দেব। এটাই আমাদের ভারত। কোনও পদ, প্রতীক বা ক্ষমতার অনুগ্রহে নই, আমরা জন্মগত অধিকারেই নাগরিক। কোনও সরকার, কোনও দল বা কোনও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই এটা ঠিক করতে পারেন না যে, একটি গণতন্ত্রে কে সম্মানের যোগ্য।
–

–

–

–

–

–

–


