নিজেদের কাজের ধরণ ও রাজনৈতিক সংযোগের উদাহরণ তুলে ধরে বৃহস্পতিবারের ইডি হানাকে কঠিন ও দুর্ভাগ্যজনক বলে দাবি করা হল রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের (IPAC) তরফে। সংস্থার দফতর ও কর্ণধারের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার (central agency) হানার ২৪ঘণ্টারও বেশি সময় পরে বিবৃতি জারি করল সংস্থা। সেই সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতার কথাও জানানো হয়। তবে আড়াই বছরের পুরোনো মামলায় এতদিন পরে কেন এই তল্লাশি (raid) তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলল বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

যে নিষ্ঠা ও উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক কাজ করে তাতে বৃহস্পতিবারের পরে সংস্থার প্রতি গভীর উদ্বেগ ও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক, শুক্রবারের প্রতিক্রিয়ায় জানায় সংস্থা। যে সংস্থা বিজেপি, কংগ্রেস থেকে শিবসেনা, ডিএমকে-র মতো দলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতার কাজ করে এসেছে এত বছর ধরে, তাঁদের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হওয়া সম্পর্কেও নিশ্চিত করা হয় বিবৃতিতে। সেখানেই তুলে ধরা হয়, এই ধরনের সন্দেহ তাঁদের পেশাদারিত্ব (professionalism) নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়।

যদিও যে তদন্তে তাঁদের (IPAC) জড়ানো হয়েছে, সেখানে আইন মেনেই তাঁরা সহযোগিতা করবেন বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে। তবে তাঁদের বিবৃতিতে স্পষ্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি ঘিরে প্রশ্ন তোলা হলেও, তাঁরা যে রাজনৈতিক দল, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে কাজ করছেন, সেই দলের চেয়ারপার্সনের কার্যকলাপে বিন্দুমাত্র বিচলিত নয়।
আরও পড়ুন : ধোপে টিকল না ইডি-র আবেদন: প্রধান বিচারপতি বদল করলেন না মামলার দিন-বিচারপতি

যদিও ফের একবার আইপ্যাক-এর দফতরে ইডি হানা নিয়ে দলনেত্রীর সুরে একইভাবে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন তৃণমূল কংগ্রেস তার প্রচারের সহযোগী হিসাবে আইপ্যাককে কাজ দিয়েছে, তখন কেন তদন্ত। চার-পাঁচ বছর ধরে কেন তদন্ত হয়নি। এতই গুরুত্বপূর্ণ মামলা যদি হয়, তবে তা এতদিন ফেলে রেখে দিয়ে এখন কেন মনে হল তদন্ত করা উচিত। জানুয়ারি মাসে যখন সংস্থার কাছে তৃণমূলের বিভিন্ন তথ্য ভাণ্ডার রয়েছে নির্বাচনের, তাহলে তার প্রতিবাদ হবে না?

–

–

–

–

–


