একের পর এক মৃত্যু অব্যাহত। কেউ কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছেন। কেউ আত্মঘাতী হতে বাধ্য হচ্ছেন। অথচ নির্বাচন কমিশন কিছুতেই ভুলছে না তাদের টার্গেট। ঠিক যেন মধ্যযুগীয় বর্বরতা। নির্বাতন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে অসম্ভব চাপের মধ্যে কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে তাঁদের। ফলে রাজ্যে প্রায় প্রতিদিন বিএলও মৃত্যুর (BLO death) ঘটনা। সব দেখেও সব দায় মশা মাছির ঝাড়ার মতো ঝেড়ে ফেলে দিচ্ছে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন (Election Commission) দফতর থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)। তবে বিএলও মৃত্যুর ঘটনায় কমিশনের নীরবতায় জবাবদিহি চেয়ে ফের একবার পথে বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটি। কমিশনকে বিজেপির দালাল দাবি করে রবিবার পথে নামেন তাঁরা।

শনিবারের পর রবিবার। ফের আত্মহত্যার ঘটনা। ফের কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বিএলও-র দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্যের এক স্কুল শিক্ষক। এই হিসাব রাখাও যেন এখন দায়। অথচ যে নির্বাচন কমিশনের কাজের চাপ সহ্য করতে না পেরে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা, সেই কমিশনের কোনও তাপ উত্তাপ নেই। আর কতদিন বিজেপির দালালি (agent of BJP) করে যাবে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। আর তার দায় নিয়ে মোমবাতি মিছিল করতে হবে বিএলও ও তাঁদের সহকর্মীদের, প্রশ্ন তুলে ফের একবার নির্বাচন কমিশন দফতরের বাইরে বিক্ষোভে বিএলও ও তাঁদের সহকর্মীরা।

আরও পড়ুন : App-এর ভুলে ১কোটি ৩৬ লক্ষের নাম ‘বাদ’! অভিযোগে AERO পদে অব্যহতির আবেদন
রবিবার সিইও দফতরের বাইরে বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান সরকারি কর্মীরা। তাঁরা দাবি জানান, বিজেপির দালালি করার জন্য এভাবে এসআইআর-এর বোঝা বাংলার মানুষের উপর, বিএলও-দের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর কতদিন তাঁরা বিএলও-দের জন্য মোমবাতি মিছিল করবেন। কোনওভাবেই তাঁরা বিক্ষোভ থেকে সরে আসবেন না, যতক্ষণ না নির্বাচন কমিশন উত্তর দেবে কবে তারা এই দালালি বন্ধ করবে। উত্তর না নিয়ে তাঁরা যাবেন না বলে দাবি জানাতে থাকেন।

–

–

–

–

–

–


