রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আবহে যুবদিবস রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর রাজ্য প্রশাসনের তরফে এই দিনটিকে মহা সমারোহে পালন করা হয়। সিমলা স্ট্রিটের (Simla Street) বাড়িতে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সৌজন্য বিনিময় করেন রাজ্য প্রশাসনের ও রাজ্যের শাসকদলের নেতৃত্ব। তবে নির্বাচন আবহে এবছর সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজির (Swami Vivekananda) বাড়িতে চাঁদের হাট। সাত সকালে উপস্থিত বিজেপির প্রথম সারির বঙ্গ নেতারা। সেখানেই তৃণমূল (TMC) ও বিজেপির (BJP) নেতৃত্বদের মধ্যে সৌজন্য বিনিময়ের ছবিও ধরা পড়ল।

প্রতি বছরে সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে দেখা যায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে (Shashi Panja)। সোমবারও যুবদিবসে স্বামীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও স্বামীজিদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়ে যান তিনি। জানান, এই দিনে প্রতিবছরই এখানে আসি। এই দিন এখানে স্বামীজির কথাই আলোচিত হওয়া উচিত। তাঁর আদর্শকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। এখানে মানুষ আসেন এবং বিশ্ব সৌভ্রাতৃত্বের (universal brotherhood) উপর বিশ্বাস রাখেন।

এরপরই সেখানে পৌছন রাজ্য বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব। তার মধ্যে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য। শশী পাঁজার (Shashi Panja) সঙ্গে সামনা সামনি সাক্ষাৎ হয় শমিক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya)। দুজনের সৌজন্য বিনিময় করেন। তারপরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে প্রবেশ করেন।
আরও পড়ুন : স্বামীজির সর্বজনীন সম্প্রীতির বার্তা চিরন্তন পথপ্রদর্শক: শ্রদ্ধায়-স্মরণে বার্তা অভিষেকের

যুব দিবসের সকালে এর মধ্যে দিয়েই কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে রাজনীতির উত্তপ্ত আবহাওয়ার মধ্যে একটি নজির হয়ে রইল। শমিক ভট্টাচার্য জানান, একে রাজনৈতিক সৌজন্য বলে। আমরা দুজনেই পরস্পরকে চিনি। একসঙ্গে বিধানসভায় বিধায়ক ছিলাম। ফলে দেখা হলে কথা তো বলতেই হয়। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই।

–

–

–

–

–


