একটি ফেসবুক পোস্ট, একটি আবেদন। বাংলার বহু মানুষের মনের কথা। এসআইআর(SIR) পর্বে যে হয়রানি চলছে বাংলাজুড়ে, সে কথাই প্রতিধ্বনিত হল ওই ফেসবুক পোস্টে (Facebook post)। নায়েমা খাতুন নামে মুর্শিদাবাদের জনৈক ভোটার সমাজ মাধ্যমে আবেদন জানালেন দেশে অপরিকল্পিত এসআইআরের কুশীলব সীমা খান্নার প্রতি। নায়েমা খাতুনের সেই আবেদনই ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী।

নায়েমা খাতুনের পোস্টটি শেয়ার করে অরূপবাবু লেখেন, এনআইসি-র ডেপুটি ডিরেক্টর সীমা খান্নাকে বাংলার একজন বোনের পক্ষ থেকে পাঠানো মেসেজ সামাজিক মাধ্যমে পেলাম। সেটাই তুলে ধরলাম সবার সামনে। মাথায় রাখতে হবে যে, এই সীমা খান্নাই হলেন সেই জন, যিনি নেপথ্যের মূল কুশীলব বাংলার দেড় কোটি মানুষকে নির্বাচন কমিশনের লজিক্যাল ডিস্ক্রেপেন্সি নামক হয়রানির মুখে ফেলার। এর কাজকর্ম সম্পর্কে দেশের মানুষকে প্রথম অবগত এবং সতর্ক করেছিলেন আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুন: বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে আসবাবের দোকানে ভয়াবহ আগুন, কালো ধোঁয়ায় ঢাকল চারপাশ

সমাজ মাধ্যমে তাঁর আবেদনে কী লিখেছিলেন নায়েমা? নায়েমা লেখেন… ম্যাডাম, আমি নায়েমা খাতুন, মুর্শিদাবাদ (পশ্চিমবঙ্গ) থেকে বলছি। আমার মোট ৫ ভাইবোন। তাহলে আপনি আমাকে এমন একটি নোটিশ কেন পাঠিয়েছেন, যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, এসআইআর ফর্মে আরও ছ’জন আমার বাবার নাম যুক্ত করেছে? তাঁর প্রশ্ন, এর জন্য কে দায়ী? আপনি, আপনার সংস্থা নাকি আমি? আমার বাবার বাড়িতে এসে তাঁর সমস্ত পারিবারিক রেকর্ড পরীক্ষা করুন এবং প্রমাণ করুন যে তিনি ৬ জনেরও বেশি সন্তানের
পিতা। আর যদি একজন মানুষের ৬টিরও বেশি সন্তান থাকে, তাহলে আপনার সমস্যা কী? আপনি কি এসআইআরের মাধ্যমে একটি প্রকৃত ভোটার তালিকা খুঁজছেন নাকি বাংলার সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে চাইছেন? অনুগ্রহ করে আমাকে উত্তর দিন।
–

–

–

–

–

–

–


