রাজ্যের সিলিকন ভ্যালিতে জমি গ্রহণ ৪১ সংস্থার: ASSOCHAM-এ দাবি সচিব শুভাঞ্জনের

Date:

Share post:

শিল্পের উপযুক্ত পরিকাঠামো তৈরি করে বাংলাকে শিল্পদ্যোগীদের গন্তব্যে পরিণত করার দিকে প্রতিদিন নতুন নতুন ধাপ ফেলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁর অন্যতম এক সফল প্রয়াস সিলিকন ভ্যালি। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের তথ্য ও সম্প্রচার এবং ইলেক্ট্রনিক্স (Information Technology and Electronics) দফতরের সচিব শুভাঞ্জন দাস জানান, ২৫০ একর জায়গার উপর বেঙ্গল সিলিকন ভ্যালি (Bengal Silicon Valley) গঠিত হচ্ছে যেখানে ৭,৫০০ কর্মসংস্থান (employment opportunity) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্তত ৩০ হাজার কোটির লগ্নি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ৪১টি সংস্থা সেখানে জমি নিয়েছে এবং কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে।

রাজ্যে শিল্প উদ্যোগ নিয়ে মাঠে নামা সংস্থাগুলি রাজ্যের ডেটা সেন্টারগুলির থেকেই এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এআই মডেল তৈরির সুযোগ পাবে খুব তাড়াতাড়ি, এমনই প্রতিশ্রুতি দিলেন সচিব শুভাঞ্জন দাস। এই প্রসঙ্গেই তিনি শিলিগুড়ির ডেটা সেন্টারের (data centre) উল্লেখ করেন, যেখানে বৃহৎ আকারে কম্পিউটেশন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে কলকাতায় সফটওয়্যার পার্কটিও (STPI) খুব শীঘ্র ব্যবহারের উপযোগী হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

অ্যাসোচেমের (ASSOCHAM) দশম টেকমিট অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই বার্তা দিলেন রাজ্যের সচিব, যা রাজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহী সংস্থাগুলির জন্য নতুন বার্তা দিচ্ছে। এছাড়াও দফতরের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের (STPI) ডিরেক্টর মনোজিৎ নায়েক তুলে ধরেন, ইতিমধ্যেই রাজ্য ২০০০ স্টার্ট আপের (startup) পাশে দাঁড়িয়েছে। এবং তাঁদের নানাভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে, যার মধ্যে আর্থিক সহযোগিতাও রয়েছে।

আরও পড়ুন : প্রধানমন্ত্রী আসছেন: তার আগেই বিজেপির বাংলা বিরোধিতার প্রতিবাদে সরব হবে সিঙ্গুর

রাজ্যের তরফে এভাবে শিল্পোদ্যোগ দেখে আগেই এগিয়ে এসেছে ইংল্যান্ড। কলকাতায় ব্রিটিশ দূতাবাসের (British Deputy High Commission) ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি হাইকমিশনার ভারত দাভে দাবি করেন, বাংলার সরকারের জিসিসি (GCC) নীতি বাংলাকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য প্রস্তুত প্রযুক্তির ক্ষেত্র হিসাবে তৈরি করছে। সেই কারণেই উদ্ভাবন ও উদীয়মান প্রযুক্তি, দক্ষতা ও ভবিষ্যতের কর্মোদ্যাগ এবং ডেটা সুরক্ষা ও নিরাপদ ডিজিটাল ভবিষ্যৎ – এই তিন ক্ষেত্রে বাংলার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে ইংল্যান্ড।

একইভাবে, বাংলার শুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি, গভীর প্রতিভার ভিত্তি এবং ক্রমশ এগিয়ে চলা পরিকাঠামোর কারণে জিসিসি-গুলির একটি বাধ্যতামূলক গন্তব্য এই বাংলা হয়ে উঠেছে, দাবি করেন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, সল্টলেক-এর চেয়ারম্যান সুশীল মোহতা।

spot_img

Related articles

মোদির সফরের আগেই মালদহে SIR-মৃত্যু: শুনানি আতঙ্কে মৃত আরও ২

চলতি এসআইআর প্রক্রিয়া রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের থেকে অনেক বেশি আদিবাসী বা মতুয়া রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে...

বেলডাঙায় আক্রান্ত সাংবাদিক সোমা: স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে পাশে থাকার নির্দেশ অভিষেকের, নিন্দা-বিবৃতি প্রেস ক্লাবের

বেলডাঙায় (Beldanga) খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলা শিকার জি২৪ ঘণ্টা-র (Zee 24 Ghanta) সাংবাদিক সোমা মাইতি (Soma Maity)।...

স্মৃতিমেদুর ব্রাত্য-সুবোধ: বাংলা আকাদেমিতে প্রকাশিত নাট্যকার ও কবির তিন বই

সম্প্রতি নন্দন প্রাঙ্গনে শেষ হয়েছে লিটল ম্যাগাজিন মেলা। সামনেই অপেক্ষা করছে কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। প্রযুক্তির উদ্ভাবন যে আজও...

সাতদিনেই কাজ: অভিষেকের প্রতিশ্রুতি মতো শালতোড়ায় পাথর খাদান খোলার প্রক্রিয়া শুরু

প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ১৮টি পাথর খাদান খোলার জন্য মুখ্যমন্ত্রী থেকে দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। দ্রুত সেগুলি খুলে ২৫...