বেলডাঙায় (Beldanga) খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলা শিকার জি২৪ ঘণ্টা-র (Zee 24 Ghanta) সাংবাদিক সোমা মাইতি (Soma Maity)। অভিযোগ, তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর হাত ও পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে। হামলার পরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত সোমা। ঘটনার কথা জানতে পেরেই ফোন করে খোঁজ নেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। পুলিশকে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিক সোমার উপর হামলার তীব্র নিন্দা করে বিবৃতি প্রকাশ করেছে কলকাতা প্রেস ক্লাব।

ঝাড়খণ্ডে বাঙালি এক পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকালে উত্তাল বেলডাঙা। জাতীয় সড়ক অবরোধ ও রেল রোকো কর্মসূচিতে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দোষীদের শাস্তির দাবিতে সুজাপুর–কুমারপুর এলাকায় তীব্র অশান্তি ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ (Police) বাহিনী মোতায়েন করা হয়। সেই খবর সংগ্রহ করতে যান সোমা মাইতি। তখনই তাঁর উপর হামলা করে ওখানে বিক্ষোভরত বেশ কয়েকজন। সোমার (Soma Maity) বয়ান অনুযায়ী, “এত বছর সাংবাদিকতা করছি, কখনও এরকম ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়িনি। দু’জন আমাকে পাঁজাকোলা করে তুলে নেয়। একজন চুল ধরে টানছিল, কেউ পা ধরে, কেউ জামা ধরে টানছিল। শরীরের এখানে ওখানে হাত দিচ্ছিল। আমার মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।”

ঘটনার কথা জানতে পেরেই সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকের অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি ফোন করে খোঁজখবর নেন অভিষেক। তিনি স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতৃত্বকে নির্দেশ দেন হাসপাতালে গিয়ে সোমার এবং চিত্র সাংবাদিকের শারীরিক পরিস্থিতির খবর নিতে। একই সঙ্গে তৃণমূল সাংসদ পুলিশকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
সাংবাদিকের উপর এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছে কলকাতা প্রেস ক্লাব। ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়, সাংবাদিকের উপর এই ধরনের হামলা গণতান্ত্রিক অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং এটা অপরাধ। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করার দাবি জানানো হয়েছে।

–

–

–

–

–

–


