কলকাতায় রোড শো করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙে ছিলেন অমিত শাহ ও তাঁর অনুগামীরা। কাকতালীয়ভাবে তখনও একটা নির্বাচন আসন্ন ছিল। আর এবার বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। তার আগে নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) সিঙ্গুরের (Singur) সভায় সেই বিদ্যাসাগরের ছবি উপহার দিল বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। এর আগেও সাহিত্য সম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রকে অপমান করার পর ভুল শোধরাতে তাঁর পুরো নাম টেলিপ্রম্পটার দেখে উচ্চারণ করেছিলেন মোদি। এবারও কী সেরকম? রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা প্রশ্ন তোলেন, তখন মূর্তি ভাঙা আর এখন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের (Iswarchandra Vidyasagar) ছবি উপহার দিচ্ছে। প্রায়শ্চিত্ত করছে এখানে?

তবে এই ছবি উপহার যে নিতান্তই মোদির নিজেকে বাঙালি-প্রেমী মনে করানোর চেষ্টা, তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফে। মন্ত্রী পাঁজা দাবি করেন, আসলে গভীরতা নেই। সবটাই উপরসা। দেখানোর জন্য, আমি বিদ্যাসাগরের মূর্তি দিলাম, মা দূর্গার মূর্তি দিলাম। কিন্তু আন্তরিকতা নেই।

বাস্তবে বাংলা থেকে যুগে যুগে যেভাবে নারীর সম্মানে আন্দোলন, সংস্কার হয়েছে, তা আজও গ্রহণ করতে পারে না বিজেপির নেতারা। তাই লোক দেখানো পদক্ষেপ নিতে হয়। সেখানেই শশী পাঁজার (Shashi Panja) প্রশ্ন, রাজা রামমোহন রায় সম্বন্ধে কী বলেছিল? স্বামী বিবেকানন্দ দেশের মনীষীদের অপমান করেছেন।
আরও পড়ুন : বলছে ঝুট, করছে লুট: সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর মিথ্যার জমিদারিতে বিস্ফোরক কুণাল

আর বিজেপির সেই নেতাদের স্বরূপ স্পষ্ট করে সাংসদ পার্থ ভৌমিক প্রশ্ন তোলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির নেতাদের প্রকাশ্য সভায় গিয়ে বলতে বলুন না, আমি বিধবা বিবাহ সমর্থন করি। যাঁরা মহিলাদের সম্পর্কে কটূক্তি করে, বহিরাগত যে নেতারা আসেন, তাঁদের একবার বলতে বলুন। বহিরাগত যত মন্ত্রী এখানে আসেন তাঁদের এই কথাটা বলান তো?

–

–

–

–

–


