Site Logo

SIR-এ ১ কোটি ২৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ! সরব দেশবাঁচাও গণমঞ্চ

EBBS Desk·
SIR-এ ১ কোটি ২৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ! সরব দেশবাঁচাও গণমঞ্চ

নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India) শনিবার বাংলার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে। তাতে বাংলার প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ নাগরিকের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা। প্রতিবাদে সরব হল 'দেশবাঁচাও গণমঞ্চ' (Desh Banchao Ganamancha)। তাঁদের দাবি, প্রথম দফায় এই রাজ্যের যে ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে, তা রাজ্যের বিপুল সংখ্যক বৈধ ভোটারকে আশ্বস্ত করতে পারেনি। বরং তাদের আরও বেশি আতঙ্কিত করে তুলেছে। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত এই প্রথম দফার ভোটার তালিকা যথেষ্ট অস্বচ্ছ, অসঙ্গতিপূর্ণ এবং সন্দেহজনক। এই ভোটার তালিকাতে কমিশন কর্তাদের স্বেচ্ছাচার এবং খামখেয়ালিপনার কারণে আবার কয়েক লক্ষ বৈধ ভোটারের ভোটাধিকারকে পরিকল্পিতভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে বলে অভিযোগ দেশ বাঁচাও গণমঞ্চের সদস্যদের। রবিবার 'দেশবাঁচাও গণমঞ্চে'র পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ণেন্দু বসু, রন্তিদেব সেনগুপ্ত, অনুরাধা দেব পুততুণ্ড, সৈকত মিত্র, ড. সিদ্ধার্থ গুপ্ত, সৈয়দ তানভীর নাসরিন, সুমন ভট্টাচার্য, রাহুল চক্রবর্তী, ভিভান ঘোষ ও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

Sponsored

Sranchi In Article

ড. সিদ্ধার্থ গুপ্ত এই নিয়ে বলেন, " এই প্রথম একটা ভোট হতে চলেছে যেখানে সমস্ত মানুষকে বাদ দেওয়াই হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য। বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ১৬০ জন মানুষ মারা গিয়েছেন। বিএলওরাও মারা গিয়েছেন। বিজেপি কিন্তু পুরোপুরি তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করেছে। বাবরি মসজিদ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিবর্তন। এবার বাংলা থেকে ২ কোটি মানুষকে বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও পালন করেছে। ওনারা নিয়ে এসেছেন একটি কথা লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি, যা অক্সফোর্ডের অভিধানেও নেই।" আরও পড়ুন: বিজেপির টার্গেটে কীভাবে কাজ কমিশনের: বাংলার হয়রানির তথ্য পেশ অভিষেকের

Sponsored

Merlin In Article

অন্যদিকে সৈয়দ তানভীর নাসরিন জানিয়েছেন, "নির্বাচন কমিশনের অস্বচ্ছতার সবথেকে বড় উদাহরণ যার সঙ্গে নির্বাচন কমিশন নিত্য আলোচনায় বসছেন সেই মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীই অ্যাডজুডিকেশনের অধীন। পাশাপাশি রাজ্যের দুজন মন্ত্রী জাকির হোসেন, গোলাম রব্বানি অ্যাডজুডিকেশনে। যে মানুষেরা সমস্ত প্রক্রিয়া মেনে শুনানির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, তার পরেও তাঁরা বিচারাধীন। উত্তর চব্বিশ পরগণা থেকে সব থেকে বেশি বিধায়ক - ৬৪ জন, মুর্শিদাবাদ থেকে ২২ জন, মালদহ থেকে ১৬ জন, পূর্ব বর্ধমান থেকে ২৪ জন। রাজ্যের যে কটি জেলায় জনসংখ্যা জনসংখ্যা ও জনঘনত্ব বেশি সেই জেলাগুলির পরিকল্পনামাফিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার প্রক্রিয়া করা হয়েছে। বাংলার মহিলা, প্রান্তিক মানুষকে নিশানা করা হয়েছে। সব চেয়ে কম ভোটার বাদ গিয়েছে বা বিচারাধীন পূর্ব মেদিনীপুরে।"

Sponsored

Shyam Sundar In Article

অনুরাধা দে অভিযোগ করেন, "এখানে বাদ দেওয়াটাই লক্ষ্য। আর বাদ দিতে গেলে সবথেকে সুবিধাজনক মহিলারা। কারণ মহিলারা কেন্দ্রীয় শাসকদলের পক্ষে থাকেন না। দলিত মানুষ আমাদের দেশে খুবই অসহায়। তাঁদের কাছে যে প্রমাণপত্র চাওয়া হচ্ছে তা তাদের কাছে নেই। কারণ শাসক কখনই তাদের সেই নথি দেয়নি। অতীতে কোনওদিন এসআইআর প্রয়োগ করে যাঁদের ভোটার তালিকায় নাম আছে তাঁদেরও ঠিকুজি কুষ্ঠির প্রমাণ দিতে হচ্ছে তেমন হয়নি। সামনে নির্বাচন। তার আগে এই তালিকা সম্পূর্ণ সংশোধিত হওয়া প্রয়োজন।"

Sponsored

Camelia In Article

সৈকত মিত্র জানিয়েছেন, "রাজনৈতিক দলের অভিসন্ধি পূরণ করার জন্য নির্বাচন কমিশন যা যা করার, যেভাবে করার করছে। কিন্তু কাঁচা বুদ্ধি। পাকাপাকিভাবে করে উঠতে পারছে না। কারণ রাজ্যটার নাম পশ্চিমবঙ্গ। কারণ এখানে মানুষ রাজনৈতিকভাবে অনেক পরিণত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যাওয়া, প্রধান বিচারপতির কাছে তুলে ধরা, তা যদি না হত, তবে বিরোধীরা আনন্দ পেত। খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে একদল নেতা বুঝতে পারলেন রোহিঙ্গা নেই। তাই গোল নির্দিষ্ট করে দেওয়া হল অন্তত ১ কোটি ২৫ লক্ষ বা দেড় কোটি বাদ দিতে হবে। কিন্তু কারা বাদ যাবে? তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নতুন ভোটারের ক্ষেত্রে অন্তত ১ শতাংশ লোক তো যুক্ত হওয়ার কথা। অন্তত সাড়ে ৭ লক্ষ হওয়ার কথা। সেটা পেলাম না। সেটা ২ লক্ষেরও কম।"

Sponsored

Techno India In Article

-

Sponsored

Probe In Article

-

-

-

-

Related Articles

More from রাজ্য

View All →