নির্বাচনের আগে মোদি সরকারের এজেন্সি খেলা শুরু। এবার অভিযোগ সেমসাইডের। নন্দীগ্রামে (Nandigram) বিজেপির ইন্দুবালা দাসকে গ্রেফতার করল সিবিআই। তিনি ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে গণধর্ষণের ঘটনায় সাক্ষী। এই নিয়ে বিজেপি (BJP) বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র কটাক্ষ করল তৃণমূল (TMC)। শুধু তাই নয়, ঘটনার প্রতিবাদ করে অসুস্থ বৃদ্ধাকে আইনি সহায়তা দেওয়া কথা জানান তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুজিত রায়।

অভিযুক্তদের না ধরে সাক্ষীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বুধবার, নন্দীগ্রামে (Nandigram) সাংবাদিক বৈঠক করে এই অভিযোগ করে তৃণমূল। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে গণধর্ষণের ঘটনায় সাক্ষী ৬৪ বছরের গোকুলনগরের বিজেপির ইন্দুবালা দাসকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷ এই ঘটনায় নন্দীগ্রাম–সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। ওই মহিলা তৎকালীন সময়ে সিপিএম করতেন। বর্তমানে সপরিবারে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন।

নন্দীগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের আমড়াতলা ১০৪ নম্বর বুথের বিজেপির বুথ সভাপতি বাসুদেব দাস কয়েকদিন আগে মারা যান। বুধবার আমড়াতলায় তাঁর বাড়িতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হন এলাকার বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। অথচ একজন সনাতনী মহিলাকে সিবিআই গ্রেফতার প্রসঙ্গে কোনও কথাই বলেননি তিনি। বিরোধী দলনেতার মুখে কুলুপ এঁটে থাকায় কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।

সুজিত রায় আক্রমণ করে বলেন, সনাতনীদের ধারক–বাহক বলে নিজেকে দাবি করা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এখন কোথায়? এক অসহায় অসুস্থ বৃদ্ধাকে সিবিআই তুলে নিয়ে গেল, আর উনি হাওয়া খাচ্ছেন! এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি৷ ওই মহিলাকে দলের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানায় তৃণমূল।

–

–

–

–

–

–


