ইজরায়েল-আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত শুরু করেছে ইরান। যুদ্ধের আবহে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) আগেই বন্ধ করা হয়েছিল, এবার জাহাজ নাবিকদের জন্য এল হামলার হুঁশিয়ারি। ইরানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, নিষেধাজ্ঞা না মেনে যদি এই বাণিজ্যিক জলপথ কেউ ব্যবহার করতে চায় তাহলে নিমেষে সেই জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে (Iran warns to set fire on ships)। ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ডের কমান্ডার-ইন-চিফের উপদেষ্টা ইব্রাহিম জাবারি (Ebrahim Jabari, advisor to the commander-in-chief of Iran’s Revolutionary Guard) বলেন, “হরমুজ় প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি কেউ এই জলপথ পার হওয়ার চেষ্টা করে, সেই জাহাজগুলিতে রেভোলিউশনারি গার্ড এবং ইরানের নৌসেনা আগুন জ্বালিয়ে দেবে ।”

কখনও পশ্চিম এশিয়ার দেশে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটি ঘাটি তো কখনও দুবাই কিংবা আবুধাবি এয়ারপোর্ট – দেশের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর থেকেই ক্রমশ ক্রমশই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে ইরান। শনিবার থেকেই কার্যত হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। যার জেরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা শুরু হয়েছে। এই সরু সমুদ্রপথই সৌদি আরব, ইরান, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো তৈল উৎপাদনকারী দেশগুলিকে ওমান উপসাগর এবং আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে। তাই এই জলপথ বন্ধ থাকলে বিশ্বজুড়ে তেলের যোগানে একটা বড় ঘাটতি তৈরি হতে পারে। ভারতে যত তেল আমদানি হয়, তার প্রায় ৫০ শতাংশই আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। পরিস্থিতির থেকে নজর রাখছে নয়াদিল্লি। এখনই উদ্বেগের কিছু হয়নি বলে আশ্বস্ত করেছে কেন্দ্র। তবে এই মুহূর্তে তৈল সংকট না হলেও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম যে বাড়বে তা এক প্রকারে নিশ্চিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আরো পড়ুন: পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষের জের, মার্কিন কনস্যুলেটের নিরাপত্তা বাড়াল কলকাতা পুলিশ

–

–

–

–

–

–

–

–


