পর্যাপ্ত জায়গার তুলনায় অধিক সংখ্যক বন্দি এবং রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকে বন্দী মুক্তি নিয়ে কারা বিভাগের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট হাই কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলায় হাই কোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, আদালতের একের পর এক নির্দেশের পরও কি রাজ্যের জেল গুলিতে বন্দি রাখার জায়গা বেড়েছে? শুধু তাই নয়, আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশের পরেও রাজ্যের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কোনো প্রতিনিধি বিচার বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে হাজির ছিলনা। আমরা আবার ডেট দেবো, আবার রাজ্যের প্রতিনিধি হাজির থাকবেন না। এটাই হচ্ছে। তাই এবার রাজ্য নিজে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিক। আগে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়ে সমস্যার সমাধান করুন। তারপরে বুঝবো বাকিটা। আর যদি সেটা না হয় তাহলে স্বচ্ছভাবে সেটার পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

এদিন রাজ্যের তরফে জানানো হয়, বারুইপুর সংশোধনাগারে বন্দি থাকার কিছুটা জায়গা বেড়েছে। তার প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, আমরা এবার বাস্তব খতিয়ে দেখবো। যদি দেখি এক হাজার ক্যাপাসিটি। আর তিন হাজার বন্দী আছে। তাহলে আমরা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে সব জামিন দিয়ে দেবো। কারণ নাগরিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এদিন আদালতে রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত উপস্থিত না থাকায়, তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করে আদালত। আদালতে উপস্থিত রাজ্যের কৌঁসুলি উদ্দেশে বিচারপতি বসাকের মন্তব্য, একের পর শুনানিতে আপনাদের কেউ হাজির থাকছে না। গত সপ্তাহেও এডভোকেট জেনারেল আজ হাজির থাকবেন বলে আশ্বস্ত করা হয়েছিল। তারপরেও আজ নেই। এরপর কি বলবেন? এটা কি রাজ্যের পলিসি? আজ বুধবার ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে। সেখানে রাজ্য সংশোধনাগারে মাত্রাতিরিক্ত ভিড় নিয়ে কি পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানাতে হবে।

আরও পড়ুন- রামকৃষ্ণ থেকে উত্তম-সত্যজিৎ: প্রথম ভাষণে বাঙালিদের নাম বলে বঙ্গপ্রেমী প্রমাণের চেষ্টা নীতীনের

_

_

_

_

_

_

_
_


