সোমবার থেকে শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা পরিচালনা করতে লাগবে ৫০ হাজার শিক্ষক। অথচ কত শিক্ষকে পাবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ তা-ই জানা নেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE)। কারণ রাজ্য থেকে কত স্কুল শিক্ষককে বিএলও-র (BLO) কাজে নিয়োগ করে রেখেছে নির্বাচন কমিশন তা জানানো হয়নি রাজ্যের প্রশাসন বা স্কুল শিক্ষা দফতরকে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তুঘলকি কারবারে প্রবল অনিশ্চয়তায় রাজ্যের পড়ুয়াদের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমিক পরীক্ষা।

পরীক্ষার সময়ে শিক্ষকেরা শুধুমাত্র স্কুল ও পরীক্ষার কাজে মনোযোগ দেবেন। তাঁদের ওপর নির্বাচনী দায়িত্ব চাপানো যাবে না৷ তা নিয়েই নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) কড়া চিঠি রাজ্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের। পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদেরও চিঠি দিয়েছেন। তিনি জানান, মাধ্যমিকের (Madhyamik) মতো বড় পরীক্ষা পরিচালনা করতে পর্যাপ্ত শিক্ষকের দরকার। পরীক্ষার কাজ এবং বিএলও-র (BLO) কাজের মধ্যে যেন সমন্বয় সাধন করে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু, এর উত্তর এখনও কিছু পাইনি।

চিঠিতে মূলত তুলে ধরা হয়েছে, শিক্ষকেরা পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ, পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি (invigilator) এবং পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন। নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকলে এই দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করা সম্ভব হবে না। তাই রাজ্যের ২৩টি জেলার শিক্ষকেরা পরীক্ষার দিন বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত বিএলও দায়িত্ব থেকে মুক্ত থাকবেন। পর্ষদের সাফ যুক্তি, শিক্ষকদের পেশাগত কাজে ক্ষতি না করে নির্বাচন-কাজে ব্যবহার করা উচিত।

আরও পড়ুন : ফের অতিরিক্ত কাজের চাপে BLO-র আত্মহত্যার অভিযোগ শিলিগুড়িতে

সেই সঙ্গে এই চিঠিতেই মনে করিয়ে দেওয়া হয়, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনাও স্পষ্ট, শিক্ষকদের ছুটির দিন বা পরীক্ষার পরেই বিএলও কাজে নিয়োগ দিতে হবে।পরীক্ষার সময়ের পরে বা শুধুমাত্র ছুটির দিনে শিক্ষকদের নির্বাচন-কাজে ব্যবহার করতে হবে।

–

–

–

–

–


