ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার আরও কঠোর অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তথ্য আপলোডের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের ভুল আর গ্রাহ্য করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই মাইক্রো অবজার্ভারদের কাজের ধরনে আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন।

কমিশন সূত্রে খবর, এতদিন পর্যন্ত মাইক্রো অবজার্ভাররা মূলত শুনানি কেন্দ্রে বা হিয়ারিং সেন্টারে উপস্থিত থেকে নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ করতেন। কিন্তু সেই পদ্ধতিতে বদল এনে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন। জানানো হয়েছে, আগামী কালের মধ্যে মাইক্রো অবজার্ভারদের হিয়ারিং সেন্টার থেকে সরিয়ে ইআরও (ERO) এবং এইইআরও (AERO)-দের সঙ্গে স্ক্রুটিনির কাজে যুক্ত করতে হবে। সোমবার থেকে তাঁরা সরাসরি রোল অবজার্ভারদের অধীনে কাজ করবেন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভোটারদের দেওয়া তথ্যের মধ্যে কোনও অসংগতি বা সন্দেহজনক বিষয় নজরে পড়লে মাইক্রো অবজার্ভাররা তা রোল অবজার্ভারদের মাধ্যমে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের জানাবেন। কমিশনের দাবি, এরপরও যদি কোনও ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য সার্ভারে আপলোড হয়, তবে তা ‘মাস্টার লেভেল’ পরীক্ষায় ধরা পড়ে যাবে। সেখানে স্পষ্ট রেকর্ড থাকবে যে, কোন সময়ে কোন মাইক্রো অবজার্ভার ওই ভুল সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন।

কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তথ্য যাচাই বা আপলোডের ক্ষেত্রে গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে প্রথমে শোকজ করা হবে। প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না কমিশন। ইআরও এবং এইইআরওদের ইতিমধ্যেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, ভুল তথ্য আপলোডের ক্ষেত্রে আর কোনও রেয়াত বা মার্জনা করা হবে না। লোকসভা ভোটের আগে ভোটার তালিকার শুদ্ধতা বজায় রাখতেই কমিশনের এই বাড়তি সতর্কতা বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

আরও পড়ুন- IG পদে উন্নতির জন্য ফতোয়া: ২০১১ পরবর্তী ক্যাডারদের জন্য নতুন নিয়ম

_

_

_

_

_
_

