টি২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup) আগে নাটক অব্যাহত রাখছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে (T20 World Cup) অংশগ্রহণ করলেও ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেলার কথা ঘোষণা করছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুলল বিসিসিআই(BCCI)। পাল্টা কোনও আক্রমণ নয়, বরং কিছুটা সাবধানী নীতি নিয়েছে বিসিসিআই। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা এবং বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া উভয়েই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন।

পাক সরকারের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতেই এমন পদক্ষেপ নিলেও ভারত কিন্তু সংযত। বিসিসিআই সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, ভারত নিয়মানুযায়ী বিশ্বকাপে অংশ নেবে এবং স্পোর্টসম্যান স্পিরিট বজায় রাখবে। আইসিসি-র অবস্থানের সঙ্গে ভারত সহমত পোষণ করছে।আইসিসি-র সাথে আলোচনা না করে এখনই এই বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না। বিসিসিআই সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা এবং বোর্ড সচিব দেবজিৎ সইকিয়া জানিয়েছেন, পাকিস্তান সরকারিভাবে এখনও তাদের কিছু জানায়নি।
যদিও বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে, তারা ঠিক সময়মতো শ্রীলঙ্কায় যাবে। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে দল মাঠেও নামবে। সাংবাদিক সম্মেলন, অনুশীলন, টস- যা যা হয় সবই নিয়ম মাফিক হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যদি টসের সময় পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা না পৌঁছন, তাহলে ওয়াকওভার পেয়ে যাবে ভারত।
আসন্ন ১৫ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মহারণ হওয়ার কথা। এখনও কিছুটা সময় বাকি আছে, এরমধ্যে চাপের মুখে পড়ে সুর নরম করে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে পারে।

আইসিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, যেকোনো বড় টুর্নামেন্টের মূল ভিত্তি হলো সব দলের সমান অংশগ্রহণ। কোনো দল যদি ‘বেছে বেছে’ প্রতিপক্ষ ঠিক করে, তবে তা খেলার স্বচ্ছতায় আঘাত হানে। এই জটিলতা কাটাতে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইসিসি দ্রুত বৈঠকে বসতে চলেছে। জয় শাহর নেতৃত্বাধীন আইসিসি-র এই অনড় অবস্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে ভারতীয় বোর্ডেরও।

পাকিস্তান তাদের জেদ বজায় রাখলে টুর্নামেন্টে তাদের পয়েন্ট কাটা যাওয়া থেকে শুরু করে বড় আর্থিক জরিমানা পর্যন্ত হতে পারে। এখন ক্রিকেট বিশ্বের নজর আইসিসি-র চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।

–

–

–
–
–
–
