ভোটার তালিকায় কারচুপি করে একের পর এক রাজ্য অধিকার করে চলেছে বিজেপি। বাংলায় ফাঁস হয়ে গিয়েছে সেই কারচুপি। অন্যান্য রাজ্যে বিরোধীরা বুঝে ওঠার আগেই ফলাফল নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে বিধানসভা ভোটের। কিন্তু বাংলায় তা সম্ভব নয়। তা সংসদেও বোঝালো শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলায় এসআইআর (SIR) করে অমর্ত্য সেনকেও (Amartya Sen) হেনস্থায় রাজ্যসভায় সরব সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)।

মঙ্গলবার রাজ্যসভায় তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, এসআইআর অন্তত ১৫০ মানুষের জীবন নিয়েছে। জীবন্ত মানুষকে মৃত বলে দেখানো হয়েছে। এসআইআরের শিকার পরিবারগুলিকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দিল্লিতে এসেছেন, তখন নির্লজ্জ আক্রমণ করেছে দিল্লির পুলিশ। তাঁর প্রশ্ন, ভারতরত্ন অর্মত্য সেনকেও কেন লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির (logical discrepancy) শিকার হতে হল? তাঁকেও কেন বাদ দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে ভোটার তালিকা (voter list) থেকে। এটা কি আমাদের দেশের গণতন্ত্রের লজ্জা নয়? পৃথিবীর বৃহত্তম যে গণতন্ত্রের শিকড় অনেক গভীরে। ভাবতে লজ্জা লাগে ফ্যাসিস্টদের ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের দেশের শাসকরা এখন গণতন্ত্রকে শ্বাসরুদ্ধ করার চেষ্টা করছে।

এসআইআর নিয়ে বিজেপির উদ্দেশ্য নিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেন, ১৯৫২ সাল থেকে আমাদের দেশে সাধারণ মানুষ ঠিক করে দিয়েছেন, শাসন ক্ষমতায় কে বসবে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কেন্দ্রের শাসকরাই ঠিক করে দিচ্ছে মানুষ কাকে ভোট দেবে। এটা লজ্জার।

আরও পড়ুন : গত ছয়মাসে একশো দিনের কাজে রাজ্যের প্রাপ্তি ‘০’: মালার প্রশ্নে স্বীকার কেন্দ্রের

রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে বাংলার বঞ্চনার প্রশ্নেও মোদি সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন ঋতব্রত। প্রশ্ন তোলেন, বাংলার মানুষের হকের ২ লক্ষ কোটি টাকা কেন আটকে রেখেছে বিজেপির কেন্দ্র?

–

–

–

–

–


