দেশের দুই প্রান্তে দুটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মেঘালয়ের(Meghalaya) তথাকথিত ‘হানিমুন মার্ডার’ এবং রাজস্থানের (Rajasthan) শ্রীগঙ্গানগরের (Sri Ganganagar) ‘হিট-অ্যান্ড-রান’ (Hit-and-run)। সাধারণ দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও, পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে ঘটনার ভয়াবহ সত্য। দুই ক্ষেত্রেই পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে স্ত্রী প্রেমিকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে স্বামীকে খুন করেছেন।

ঘটনার পর পুলিশের (Police) জিজ্ঞাসাবাদে অঞ্জু দাবি করেন, আচমকা একটি গাড়ি তাঁদের ধাক্কা মারে। সেই সময় তাঁর সোনার হারও চুরি যায় বলে জানান তিনি। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক অসংগতি লক্ষ্য করে। ফরেনসিক রিপোর্টে(Forensic Report) দেখা যায়, আশিসের শরীরে আঘাতের চিহ্নের পাশাপাশি শ্বাসরোধের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। অথচ অঞ্জুর শরীরে প্রায় কোনও আঘাতের চিহ্নই পাওয়া যায়নি। এখান থেকেই পুলিশের সন্দেহ আরও গভীর হয়। আরও পড়ুন: বাজেটে ভাতা বৃদ্ধি, মাতৃত্বকালীন ছুটি: আশাকর্মী-সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা

তদন্তে জানা যায়, বিয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় অঞ্জু বাপের বাড়িতে চলে যান। সেখানেই তিনি তাঁর প্রেমিক সঞ্জুর সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু করেন। এরপর দু’জন মিলে আশিসকে খুন করার পরিকল্পনা করেন। তদন্তকারী আধিকারিকরা (Investigating Officers) জানান, এটি কোনও হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়, বরং ঠান্ডা মাথায় করা পূর্বপরিকল্পিত খুন। এই ঘটনায় অঞ্জু ছাড়াও তাঁর প্রেমিক সঞ্জু এবং তার দুই সঙ্গী রকি ও বাদলকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, পরিকল্পনা অনুযায়ী ৩০ জানুয়ারি রাতে অঞ্জু ইচ্ছাকৃতভাবে আশিসকে একটি নির্জন রাস্তায় হাঁটতে নিয়ে যান। সেখানেই সঞ্জু (Sanju) ও তাঁর দুই সঙ্গী আশিসের উপর হামলা চালায়। তাঁকে মারধর করে ও শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। পরে এই খুনকে গাড়ি দুর্ঘটনা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। ছিনতাইয়ের গল্প বিশ্বাসযোগ্য করতে অঞ্জু নিজেই নিজের মোবাইল ফোন ও কানের দুল অভিযুক্তদের হাতে তুলে দেন। এরপর রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকার ভান করেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছে তদন্তকারী দল।

–

–

–

–

–

–


