গোটাটাই না কি রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ। শুধুমাত্র ভিডিও বানানোর জন্য না কি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শমীক অধিকারীকে (Shamik Adhikary) গ্রেফতার করেছে রাজ্যের পুলিশ, এই দাবি প্রতিষ্ঠা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে বিজেপি ও তার সোশ্যাল মিডিয়া (social media) পরিচালকরা। বাস্তবে তিনি যে অপরাধী তা স্বীকার করে নিলেন তাঁরই বাবা-মা। অশান্তি চলাকালীন বান্ধবীকে শারীরিক আঘাত (physical assault) যে করেছিলেন তা স্বীকার করে নিলেন শমীকের বাবা-মা।

৪ ফেব্রুয়ারি বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার (social media influencer) শমীক অধিকারীর বান্ধবী আটকে রেখে যৌন হেনস্থা ও শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরই ঘটনায় রাজনীতি টেনে এনে মাঠে নেমে পড়েন বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)।

শমীকের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বেহালা পুলিশ বলপ্রয়োগ, জোর করে আটকে রাখা, শারীরিক নিগ্রহের পাশাপাশি ধর্ষণের ধারাও যোগ করেছে। এর মধ্যে বলপ্রয়োগ ও শারীরিক নিগ্রহতে যে শমীক অভিযুক্ত, তা মেনে নিলেন তাঁর বাবা-মা। তাঁরা জানান, বাড়ি বদলের প্রক্রিয়া চলায় তাঁরা শমীক (Shamik Adhikary) ও তাঁর বান্ধবীর অশান্তিতে তাঁরা যোগ দেননি। কিন্তু পরে অশান্তি বাড়ায় তাঁরা সচেতন হন। পরে শমীক তরুণীকে চড় মারেন (physical assault)। তখন তাঁরা গিয়ে বাধা দেন।

এখানে ফের একবার বিজেপির মিথ্যাচারও প্রমাণিত হয়েছে। অমিত মালব্য দাবি করেছেন, বান্ধবীর সঙ্গে অশ্লীলতার কোনও ঘটনা প্রকাশ্যে আসেনি বা এরকম কোনও অভিযোগের কথা না কি কেউ জানত না। স্পষ্ট বাবা-মায়ের কথায় প্রমাণিত কতটা মিথ্যে বলছেন মালব্য। বাবা-মা সেই সময়ে সেই ঘটনার সাক্ষীও ছিলেন বলে প্রমাণিত।

আরও পড়ুন : ‘ধর্ষক’কে সমর্থন বিজেপির মালব্যর! গ্রেফতার ‘ননসেন’, বিজেপির সমর্থনে কটাক্ষ তৃণমূলের

সেই সঙ্গে বাবা স্বীকার করেন তরুণীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন তাঁরাও দেখেছেন। সেই আঘাত ওই একটি চড় মারার কারণে পড়ে গিয়ে হয়েছে এমনটা তিনি দাবি করেন। যদিও তা কতটা সম্ভব বা আদতে তিনি কিছু লুকাচ্ছেন কি না, তা তদন্তেই প্রমাণিত হবে।

–

–

–

–

