লড়াই শেষ! মৃত্যু হল বারাসতের হাসপাতালে (Hospital) চিকিৎসাধীন নার্সের। নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বহুদিন ধরেই বেসরকারি হাসপাতালের (Hospital) ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেরেও উঠেছিলেন। বের করে আনা হয়েছিল ভেন্টিলেশন থেকে। বৃহস্পতিবার, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর ফুসফুসে ‘সেকেন্ডারি ইনফেকশন’ হয়ে গিয়েছিল।

স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছিল, রাজ্যে নতুন করে কেউ নিপায় (Nipah) আক্রান্ত হননি। আক্রান্ত এই দুই নার্স কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ‘কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং’-এর কাজ শুরু করা হয় সেই সময়ে। তাদের শনাক্ত করে তাঁদের নমুনা পাঠানো হয়েছিল পরীক্ষাগারে যদিও সব নমুনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে নিপা ভাইরাসের (Virus) উৎস বাদুড়ের আধখাওয়া ফল। এমনকী ভালো ফলের সঙ্গে সেই ফল মিশে থাকলে সেখান থেকেও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। যদিও শুয়োরও থেকেও এই ভাইরাসের উৎস হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এছাড়া আক্রান্তের ব্যবহৃত বিছানা, জামাকাপড় বা অন্য জিনিস থেকেও সংক্রমণ হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে ভাইরাল জ্বরের মতো হলেও নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৫০-৬০ শতাংশ। তবে এর বিশেষ কোন ভ্যাকসিন নেই, আক্রান্তের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তাঁকে সুস্থ করতে পারে।

–

–

–

–

–

–

–


