বামেদের ডাকা ধর্মঘটের তেমন কোনো প্রভাব পড়ল না রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর থেকে শুরু করে জেলা স্তরের সরকারি অফিসগুলিতে। বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি দফতরে কর্মীদের উপস্থিতির ছবিটা ছিল অন্যান্য সাধারণ দিনের মতোই স্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার সকালে নবান্নের প্রবেশপথে সরকারি কর্মীদের লম্বা লাইন দেখা যায়। নবান্ন সূত্রের খবর, কলকাতা ও জেলা মিলিয়ে সমস্ত রাজ্য সরকারি দফতরে এ দিন কর্মীদের হাজিরার হার ছিল ৯০ শতাংশের বেশি।

ধর্মঘটের দিন সরকারি কর্মীদের দফতরে আসা বাধ্যতামূলক করে আগেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল নবান্ন। জানানো হয়েছিল, ওই দিন কাজে যোগ না দিলে বেতন কাটা হতে পারে। পাশাপাশি, ধর্মঘটের বিরুদ্ধে জোরদার প্রচার চালায় তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন। প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং শাসকদলের সংগঠনের সক্রিয়তার জেরে এ দিন সরকারি অফিসের কাজকর্ম ছিল একেবারেই স্বাভাবিক।

নবান্ন তো বটেই, কেএমডিএ এবং পূর্ত ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরগুলিতেও এ দিন কর্মচারীদের হাজিরা ছিল প্রায় ১০০ শতাংশের কাছাকাছি। নগরোন্নয়ন দফতরেও ৯০ শতাংশের বেশি কর্মী কাজে যোগ দিয়েছেন। শুধু প্রশাসনিক দফতর নয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও ধর্মঘটের প্রভাব পড়েনি। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গড়ে ৯৬ শতাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বিরোধীরা ধর্মঘটের সমর্থনে কিছু জায়গায় মিছিল করলেও, জনজীবন সচল রাখতে এবং সরকারি পরিষেবা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন- নিজেকে ভালবাসো: ভ্যালেন্টাইন উইকে বার্তা ঋতুপর্ণা-ভাগ্যশ্রীর

_

_

_

_

_

_
–


