নির্বাচনী ভোটার তালিকা সংশোধনী প্রক্রিয়ায় এক তরফাভাবে রাজ্যের কর্মী ও আধিকারিকদের নিয়োগ ও কাজ করানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নির্বাচনমুখী বাংলায় প্রশাসনিক কাজকর্ম থেকে সরে এসে, এমনকি মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক আবহেও শিক্ষকদের ইচ্ছামতো কাজ করতে বাধ্য করেছে কমিশন। রাজ্যের প্রশাসন সব ক্ষেত্রে তা মান্য না করায় এবার সোজা দিল্লিতে তলব মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Nandini Chakraborty)। শুক্রবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (CEC, Gyanesh Kumar) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যের তরফে পদক্ষেপের তথ্য পেশ করেন মুখ্যসচিব (Chief Secretary)।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর ও ময়নার দু’জন করে ইআরও (ERO) ও এইআরও (AERO) এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর-সহ মোট ৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। বসিরহাট-২ এর বিডিও (BDO) সুমিত্রপ্রতিম প্রধানের বিরুদ্ধে নিয়মবিরুদ্ধ কাজের অভিযোগও ছিল। সেই সব অভিযোগে রাজ্য সরকার পদক্ষেপ না নেওয়ায় দিল্লিতে শুক্রবার তলব নন্দিনী চক্রবর্তীকে।

আরও পড়ুন : নথি যাচাইয়ে কমিশনের চাপ! সময় বেঁধে জেলা আধিকারিকদের নতুন নির্দেশ

শুক্রবার দুপুর ২.৫৫ মিনিট নাগাদ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar, CEC) সঙ্গে দেখা করতে দিল্লিতে নির্বাচন সদনে যান রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী (Nandini Chakraborty)। বিকাল ৪টে নাগাদ তিনি বেরিয়ে যান। এক ঘণ্টার বৈঠক হয় দুতরফের। সূত্রের খবর, রাজ্যের তরফে মুখ্যসচিব যে তথ্য পেশ করেছেন, তা মানতে চাননি নির্বাচন কমিশনার। পরবর্তীতে রাজ্যকে কী নির্দেশ দেওয়া হয়, এখন তা দেখার অপেক্ষা।

–

–

–

–

–

–


