Site Logo

নথি যাচাইয়ে কমিশনের চাপ! সময় বেঁধে জেলা আধিকারিকদের নতুন নির্দেশ

EBBS Desk·
নথি যাচাইয়ে কমিশনের চাপ! সময় বেঁধে জেলা আধিকারিকদের নতুন নির্দেশ

দেদার বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত ব্যর্থ। দেশের সুপ্রিম কোর্টে মুখ পুড়েছে। বাংলার স্বচ্ছ ভোটার তালিকা (voter list) যে নির্বাচন কমিশন আদৌ তৈরি করতেই চায় না, তা আরও এক নির্দেশিকা জারি করে স্পষ্ট করে দিল দিল্লির নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এবার আরও একবার সময় বেঁধে দিয়ে নথি যাচাই ও তার ভুল ত্রুটির যাবতীয় দায় জেলার ডিইও-দের (DEO) কাঁধে চাপালো জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) নির্বাচন কমিশন।

Sponsored

Sranchi In Article

সহযোগিতা তো দূরের কথা, বারবার কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশন রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে অসহযোগিতার পথে হেঁটেছে। অল্প সময়ে পুরো এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শেষ করার জেদই বজায় রাখা হয়েছে দিল্লির তরফে। নতুন নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) ও সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত নথিই জমা পড়ছে কি না, তা জেলা শাসক তথা নির্বাচনী আধিকারিকদেরই (DEO) নিশ্চিত করতে হবে। ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে সমস্ত জেলা নির্বাচন আধিকারিককে জমা পড়া সব নথি নিজে যাচাই করে তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর সিস্টেমে একটি বেআইনি নথিও পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা হবে বলেও কমিশন জানিয়েছে। এ বিষয়ে আইটি টিমকেও নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গেছে।

শুক্রবার জেলাশাসক, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO), বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক (RO) ও অন্যান্য রোল পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ভিডিও বৈঠকে  একাধিক নির্দেশ জারি করা হয়। পরে সেই বৈঠকের মূল বিষয়গুলি চিঠি আকারে জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। সেখানে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের কাটিং, ফাঁকা পৃষ্ঠা বা অপাঠ্য ছবির মতো নথি আপলোড হওয়ার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তা সব জেলাশাসক ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের দেখানো হয়েছে। এই নথি কারা আপলোড করল, কীভাবে তা যাচাই হল এবং কেন তা গ্রহণ করা হল বৈঠকে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

আরও পড়ুন : বাদ আরও ১ লক্ষ ৪০ হাজার নাম: একদিন আগেই শেষ শুনানি প্রক্রিয়া

এর পাশাপাশি একটি নতুন সংযোজনে কমিশন জানিয়েছে, প্রতিটি নথি ও সিদ্ধান্ত বহু বছর সিস্টেমে সংরক্ষিত থাকবে। এক, দুই বা পাঁচ বছর পরও যদি কোনও ‘বিদেশি’ নাগরিকের নাম তালিকায় থাকার ঘটনা ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দীর্ঘ প্রশাসনিক জীবনের কথা মাথায় রেখে বিষয়টিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বৈঠকে।

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →