নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নথি যাচাইয়ের কাজ শেষ করে ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে বাংলার পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা। ফলে যে চাপের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছিল রাজ্যের বিএলওদের তার থেকে কোনও মুক্তি পাননি তাঁরা। হাতে নাতে সেই চাপের সাক্ষী রইল শ্রীরামপুর (Serampore) ফেরিঘাট। কাজের চাপে স্কুলে যাওয়ার পথেই গঙ্গায় ঝাঁপ দিলেন এক বিএলও (BLO)। পেশায় তিনি একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। ফেরিঘাটের কর্মীদের দ্রুত তৎপরতায় তাঁর প্রাণ বাঁচানো হয়। তবে তিনি তাঁর এসআইআর (SIR) আতঙ্কের কথা স্পষ্ট জানান প্রাণ ফিরে পাওয়ার পরে।

কাঁচরাপাড়া হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ কায়ামুদ্দিন ব্যারাকপুর এলাকার বিএলও (BLO)। তাঁর এলাকায় বহু মানুষের নথি সমস্যা। এসআইআরের (SIR) প্রথম পর্ব থেকেই তিনি লাগাতার কাজ করছেন। তবে যখনই নথি ও ফর্ম ডিজিটাইজেশন (form digitigation) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তখন থেকে তিনি সমস্যায় পড়েন। ডিজিটাল কাজে নিজের অসমর্থতার কথা জানিয়ে তিনি বারবার নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন বলে জানান। কিন্তু কমিশন তাতেও তাঁকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়নি।

আরও পড়ুন : ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, মার্চের শুরুতেই মোতায়েন আধাসেনা!

শনিবার শ্রীরামপুরে নিজের বাড়ি থেকে নিজের স্কুলের দিকে আসছিলেন। অন্যদিনের মতই শ্রীরামপুর ফেরিঘাট থেকে ব্যারাকপুর ফেরিঘাটের দিকে ফেরিতে রওনা দেন তিনি। ফেরি মাঝগঙ্গায় পৌঁছানোর পরে তিনি নিজের সব কাগজসহ ব্যাগে ভরে মোবাইল ও পরিচয়পত্র সেখানে রেখে ঝাঁপ দেন। ফেরিঘাটের কর্মীরা তাঁকে কোনওক্রমে উদ্ধার করেন। পরে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।

–

–

–

–

–

–


