ভোটের বাদ্যি বাজতেই এলাকায় দেখা মিলেছে বিধায়কের। কিন্তু হাতে থাকা প্রধানমন্ত্রীর চিঠির বদলে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়তে হলো তাঁকে। রবিবার দুর্গাপুরের ফরিদপুর এলাকায় মোদি সরকারের উন্নয়নমূলক প্রচার চালাতে গিয়ে কার্যত নাস্তানাবুদ হলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই। ‘পরিযায়ী পাখি’র মতো ভোট আসতেই কেন তাঁর দেখা মিলছে, সেই প্রশ্ন তুলে এদিন বিধায়ককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এলাকার সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হাসিমুখে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে কার্যত নিরুত্তরই থাকতে হয় তাঁকে।

এদিন ফরিদপুর এলাকায় কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের খতিয়ান সম্বলিত চিঠি বিলি করতে গিয়েছিলেন বিধায়ক। সেখানেই বাসিন্দারা তাঁকে ঘিরে ধরে একরাশ অভিযোগ উগরে দেন। তাঁদের প্রধান দাবি, জাতীয় সড়ক পারাপারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে একটি আন্ডারপাসের দাবি জানানো হলেও কোনও ভ্রুক্ষেপ করেনি প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিরা। আন্ডারপাস না থাকায় স্থানীয়দের প্রতিদিন প্রায় দুই কিলোমিটার পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। অন্যথায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে জাতীয় সড়ক পার হতে গিয়ে প্রায়শই দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে।

বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট কথা, ভোটে জেতার পর এলাকায় বিধায়কের দেখা মেলে না, কোনও প্রতিশ্রুতিও পূরণ হয় না। এদিন লক্ষ্মণ ঘড়ুই বাসিন্দাদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তুলে দিতে গেলে এক বাসিন্দা সাফ জানিয়ে দেন, আগে আন্ডারপাস করুন, তারপর হাত মেলাব। বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও কেন বিধায়ক কোনও সদর্থক ভূমিকা নেননি, তা নিয়ে এদিন দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। জাতীয় সড়কে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটলেও কেন স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে ফরিদপুরে।

আরও পড়ুন- নজর ইভিএম ও ভোটার তালিকায়! ২৭ বছর পর ফের ভারত মণ্ডপমে মহাবৈঠক

_

_

_

_

_

_
_


