খসড়া তালিকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ৫৮ লক্ষ বাদ। তারপর প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকাতেও আরও প্রায় ৬ লক্ষ নাম বাদ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬৪ লক্ষ নাম বিভিন্ন চক্রান্তে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কাদের, কোন জেলার মানুষকে একেবারে ‘টার্গেট’ বানিয়ে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরে তা দেখিয়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেকের সাফ কথা, যারা বিজেপিকে ভোট দেয় না, বেছে বেছে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সংখ্যালঘু এবং তফসিলি জাতিভুক্ত মানুষদের নাম বেছে বেছে ভোট দেওয়া হচ্ছে, যারা বিজেপিতে ভোট দেয় না! যারা দশকের পর দশক বাংলায় রয়েছে অথচ শুধুমাত্র বিজেপিকে ভোট দেয়নি বলে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে!

চূড়ান্ত তালিকাতেও বিচারাধীন-এর আড়ালে কোন জেলা থেকে কত নাম বাদের অপচেষ্টা চলছে, তথ্য তুলে ধরে অভিষেক বলেন, কোচবিহারে বিচারাধীন ২ লক্ষ ৩৮ হাজার, ভোটার লিস্টের প্রায় ১০ শতাংশ। উত্তর দিনাজপুরে বিচারাধীন ৪ লক্ষ ৮০ হাজার। ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে ২১ লক্ষ। অর্থাৎ প্রায় ৩০ শতাংশ। মালদহে ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে ২৯ লক্ষ আর বিচারাধীন সাড়ে ৮ লক্ষ। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটারকে বাদ দিতে চাইছে। মুর্শিদাবাদে ভোটার রয়েছে ৫৪ লক্ষ। বিচারাধীন প্রায় ১১ লক্ষ ১ হাজার। প্রায় ২০ শতাংশ। উত্তর ২৪ পরগনায় ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে ৭৫ লক্ষ। বিচারাধীন প্রায় ৬ লক্ষ। দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বিচারাধীন প্রায় সাড়ে ৫ লক্ষ। পূর্ব বর্ধমানেও বিচারাধীন ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার। বিচারাধীনের নামে নাম বাদের চক্রান্ত!

আরও পড়ুন- এসআইআর-এর নামে লক্ষ লক্ষ বাঙালির নাম বাদ! প্রতিবাদে রাজপথে বাংলা পক্ষ

_

_
_

_
_

_
_

_


