এখনও ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি, কিন্তু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election) ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। মার্চের শুরুতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces Deployment)। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে বাহিনী মোতায়েনকে অনেকেই স্বাগত জানালেও, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে স্কুল ভবন দখল (Government School Crisis) হয়ে পড়াশোনা থমকে যাওয়ার আশঙ্কায় কপালে ভাঁজ পড়েছে শিক্ষক-অভিভাবকদের। ফলত পঠন-পাঠন শিকেয় ওঠার জোগাড়।

একদিকে ভোট, অন্যদিকে সিলেবাস শেষের তাগিদ— এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হতে বসেছে রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয়গুলো। আসন্ন নির্বাচনে ভোটার ও ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও প্রশ্ন উঠছে এই নিরাপত্তার খেসারত কি পড়ুয়াদেরই দিতে হবে?

বর্তমানে অনেক স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা চলছে, সামনেই আবার এপ্রিলের পরীক্ষা। কিন্তু ভাঙড়ের কুলটি ৪ নম্বর রিফিউজি কলোনি গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের মতো বহু স্কুল ইতিপূর্বেই পড়ুয়াদের জানিয়ে দিয়েছে, সোমবার থেকে আর আসার প্রয়োজন নেই। কারণ, সেখানে ডেরা বাঁধছে তিন কোম্পানির জওয়ান। এই অবস্থায় ক্লাস ও পরীক্ষার সূচি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহল।

একই ছবি বামনঘাটা বা পোলেরহাট হাইস্কুলের মতো বড় স্কুলগুলোতেও। যেখানে পড়ুয়া সংখ্যা প্রায় ৪৬০০, সেখানে যদি ১১-১২টি ক্লাসরুম বাহিনীর দখলে চলে যায়, তবে তবে ক্লাস নেওয়া কার্যত অসম্ভব। শুধু তাই নয়, মিড-ডে মিলের রান্নাঘর থেকে শৌচালয়— সব নিয়েই দেখা দিয়েছে চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা। অনেক ক্ষেত্রে চড়া রোদে স্কুলের ছাদেই রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে, যা এক কথায় অমানবিক। আরও পড়ুন: পাঁচ বছর নিয়োগ নেই বিজেপি রাজ্যে: ফের বাংলায় নিয়োগ পরীক্ষায় ভিন রাজ্যের পরীক্ষার্থীরা

এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সরব হয়েছে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারীর নেতৃত্বে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ করা হয়েছে। তাঁদের প্রধান বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ ভোট যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি শিক্ষার অধিকার। সংগঠনের বক্তব্য, অতীতে প্রতিবারই নির্বাচনের সময় সরকারি স্কুলগুলিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে দিনের পর দিন, কখনও মাসের পর মাস পঠন-পাঠন বন্ধ থেকেছে। এমনিতেই রাজ্যের বহু স্কুলে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। তার ওপর বিপুল সংখ্যক শিক্ষককে বিএলও-র দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় যদি স্কুল ভবনও বাহিনীর দখলে চলে যায়, তাহলে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার কার্যত বাধাপ্রাপ্ত হবে বলেই আশঙ্কা।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাবও দিয়েছে। তাদের প্রস্তাব, প্রথমত, বিভিন্ন ব্লকে পড়ে থাকা অব্যবহৃত সরকারি ভবন, কিষাণ মান্ডি বা অডিটোরিয়াম বাহিনীর থাকার কাজে ব্যবহার করা হোক। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনে খোলা জায়গায় আধুনিক অস্থায়ী তাঁবু বা ক্যাম্প তৈরি করে জওয়ানদের থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

এখনও ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি, কিন্তু আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি তুঙ্গে। মার্চের শুরুতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে বাহিনী মোতায়েনকে অনেকেই স্বাগত জানালেও, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে স্কুল ভবন দখল হয়ে পড়াশোনা থমকে যাওয়ার আশঙ্কায় কপালে ভাঁজ পড়েছে শিক্ষক-অভিভাবকদের। ফলত পঠন-পাঠন শিকেয় ওঠার জোগাড়।

একদিকে ভোট, অন্যদিকে সিলেবাস শেষের তাগিদ— এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হতে বসেছে রাজ্যের সরকারি বিদ্যালয়গুলো। আসন্ন নির্বাচনে ভোটার ও ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও প্রশ্ন উঠছে এই নিরাপত্তার খেসারত কি পড়ুয়াদেরই দিতে হবে?

বর্তমানে অনেক স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা চলছে, সামনেই আবার এপ্রিলের পরীক্ষা। কিন্তু ভাঙড়ের কুলটি ৪ নম্বর রিফিউজি কলোনি গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুলের মতো বহু স্কুল ইতিপূর্বেই পড়ুয়াদের জানিয়ে দিয়েছে, সোমবার থেকে আর আসার প্রয়োজন নেই। কারণ, সেখানে ডেরা বাঁধছে তিন কোম্পানির জওয়ান। এই অবস্থায় ক্লাস ও পরীক্ষার সূচি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহল।

একই ছবি বামনঘাটা বা পোলেরহাট হাইস্কুলের মতো বড় স্কুলগুলোতেও। যেখানে পড়ুয়া সংখ্যা প্রায় ৪৬০০, সেখানে যদি ১১-১২টি ক্লাসরুম বাহিনীর দখলে চলে যায়, তবে তবে ক্লাস নেওয়া কার্যত অসম্ভব। শুধু তাই নয়, মিড-ডে মিলের রান্নাঘর থেকে শৌচালয়— সব নিয়েই দেখা দিয়েছে চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা। অনেক ক্ষেত্রে চড়া রোদে স্কুলের ছাদেই রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে, যা এক কথায় অমানবিক।
এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে সরব হয়েছে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারীর নেতৃত্বে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ করা হয়েছে। তাঁদের প্রধান বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ ভোট যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি শিক্ষার অধিকার। সংগঠনের বক্তব্য, অতীতে প্রতিবারই নির্বাচনের সময় সরকারি স্কুলগুলিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে দিনের পর দিন, কখনও মাসের পর মাস পঠন-পাঠন বন্ধ থেকেছে। এমনিতেই রাজ্যের বহু স্কুলে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে। তার ওপর বিপুল সংখ্যক শিক্ষককে বিএলও-র দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় যদি স্কুল ভবনও বাহিনীর দখলে চলে যায়, তাহলে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার কার্যত বাধাপ্রাপ্ত হবে বলেই আশঙ্কা।
এই পরিস্থিতিতে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তাবও দিয়েছে। তাদের প্রস্তাব, প্রথমত, বিভিন্ন ব্লকে পড়ে থাকা অব্যবহৃত সরকারি ভবন, কিষাণ মান্ডি বা অডিটোরিয়াম বাহিনীর থাকার কাজে ব্যবহার করা হোক। দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনে খোলা জায়গায় আধুনিক অস্থায়ী তাঁবু বা ক্যাম্প তৈরি করে জওয়ানদের থাকার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

