Thursday, March 26, 2026

অভিষেকের উদ্যোগে নন্দীগ্রাম থেকে দিল্লির AIIMS চিকিৎসা ২ কিশোরীর, সুস্থতার কথা জানালেন স্বয়ং তৃণমূলের সেনাপতি

Date:

Share post:

সেবাশ্রয় স্বাস্থ্য শিবির করে রোগী ও পরিবারের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন সাংসদ তথা তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ডায়মন্ড হারবারের পরে নন্দীগ্রাম। সেখানেও উপকৃত হচ্ছে অনেকে। হৃদয়েক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছন নন্দীগ্রামের দুই কিশোরী। সুপর্ণা জানা ও অর্পিতা দলুই নামে ওই দুজন নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় শিবিরে আসেন। চিকিৎসকরা বিষয়টি জানান অভিষেককে। তাঁরই উদ্যোগে দুই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য দিল্লির এইমস-এ (AIIMS) পাঠানো হয়। চিকিৎসার পর অবশেষে তারা সুস্থ হয়ে উঠছে।

হার্টের জটিল অসুখে ভুগছিল সুপর্ণা জানা ও অর্পিতা দলুই। অনেক চিকিৎসক দেখিয়েও সম্পূর্ণ সুস্থ করা যাচ্ছিল না। এর মধ্যেই নন্দীগ্রামে শুরু হয় সেবাশ্রয় শিবির। সেখানে এই দুই কিশোরীকে নিয়ে এসেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। দুটি পৃথক পরিবার হলেও সমস্যাটা একইরকম ছিল। সেবাশ্রয়ের চিকিৎসকরা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের কাছে বিষয়টি জানান। খবর পেয়েই উদ্যোগ নিয়ে এই দুই কিশোরীকে চিকিৎসার জন্য নয়াদিল্লির এইমস হাসপাতালে পাঠান অভিষেক (Abhishek Banerjee)। সেখানে চিকিৎসার পর অবশেষে তারা সুস্থ হয়ে উঠছে।

এইমস হাসপাতালে যাওয়া, গোটা চিকিৎসা প্রক্রিয়া এবং পরিবারের কাছে সুস্থ করে ফিরিয়ে দেওয়ার যাবতীয় খরচ বহন করেছেন অভিষেক। সেই খবর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লেখেন, “নন্দীগ্রামের দুটি তরতাজা প্রাণ সুস্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আনন্দিত যে আমরা এটি সম্ভব করার ক্ষেত্রে একটি ছোট ভূমিকা পালন করতে পেরেছি। নন্দীগ্রামে আমাদের সেবাশ্রয় ক্যাম্প চলাকালীন আমরা দুই কিশোরী, সুপর্ণা জানা এবং অর্পিতা দলুই সম্পর্কে জানতে পারি। দুজনেই জটিল হৃদরোগে ভুগছিলেন।“

অভিষেক লেখেন, ‌“তাদের পরিবারগুলি যে আর্থিক সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল সেটা অভাবনীয় এবং এই ধরনের গুরুতর চিকিৎসা তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। বিষয়টি আমাদের নজরে আসতেই নয়াদিল্লির এইমস হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যেখানে তাঁরা প্রয়োজনীয় বিশেষ চিকিৎসা পেয়েছেন। আমাদের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তাঁদের চিকিৎসার যেন কোনও ত্রুটি না থাকে। আমি বিশ্বাস করি কোনও শিশুর জীবন অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।“

আপাতত দুই কিশোরীর চিকিৎসা চলছে নয়াদিল্লির এইমস হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই দু‌জনকে ছেড়ে দেওয়া হবে। দুই কিশোরীকে শুভকামনা জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “তারা যেন শীঘ্রই নতুন জীবনীশক্তি এবং উজ্জ্বল হাসি নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। যে কোনও সমাজের প্রকৃত মাপকাঠি হল সংবেদনশীল বিষয়ে তারা কতটা অনুভূতিপ্রবণ।“

Related articles

পশ্চিম এশিয়া নিয়ে সর্বদল বৈঠক: উত্তর এড়ালো কেন্দ্রের সরকার, যোগ দিল না তৃণমূল

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে জ্বালানি সংকটে গোটা বিশ্ব। ভারতে তার প্রভাব নিয়ে সংসদে বক্তৃতা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে...

বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, আর বিক্ষোভ শুরু: এবার চন্দননগর

অনেক ভেবেচিন্তে তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। তাও সেখানে সম্পূর্ণ করতে পারেনি ২৯৪ আসনের তালিকা। আর সেই...

এবার ভোটে জিতুক তৃণমূল! চাইছেন কংগ্রেস নেত্রী রেনুকা চৌধুরী

কংগ্রেস নেত্রী রেনুকা চৌধুরী বুধবার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, বাংলার বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করে তৃণমূল কংগ্রেস জয়লাভ...

লোডশেডিং করেও লাভ হবে না: নন্দীগ্রামে এবার জিতবে ভূমিপুত্র

মণীশ কীর্তনিয়া ২০২১-এর নন্দীগ্রাম। বয়ালের বুথে ভাঙা পা নিয়ে হুইলচেয়ারে ঢুকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ তার কাছে খবর ছিল সেখানে...