পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের(War) প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে ক্রীড়াক্ষেত্রে। শুধু ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন নয়, ক্রিকেটেও লেগেছে যুদ্ধের আঁচ। যুদ্ধের ফলে একাধিক দেশের আকাশ পথ এবং জলপথ বন্ধ ফলে ক্রিকেটারারা যাতায়াত করতে পারছেন না। কলকাতা থেকে দেশে ফিরতে পারছে না বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দুই দল।

ভারতের কাছে এই ইডেনেই হেরে বিশ্বকাপে থেকে গত ১ মার্চই বিদায় নিয়েছে ওয়েস্ট(West Indies)। তার পরেও কেটে গিয়েছে চার দিন। এখনও কলকাতা ছাড়তে পারেননি ওয়েস্ট ইন্ডিজের (West indies)ক্রিকেটাররা। কবে দেশে ফিরতে পারবেন শাই হোপরা, তাও অনিশ্চিত। দুবাই হয়ে তাদের দেশে ফেরার কথা, কিন্তু বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় হোটেলেই বন্দি ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সিঙ্গাপুর দিয়ে ফেরানো যায় কিনা তা আলোচনা চলছে। এমনকি তাদের চাটার্ড বিমানও ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিতে পারে আইসিসি।

একই অবস্থা দক্ষিণ আফ্রিকা(South Afrcia) দলের। বুধবারই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে প্রোটিয়া বাহিনী। কিন্ত মার্করামরা কীভাবে দেশে ফিরবেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা আছে। টিম দলের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে আইসিসি। সিএবি সবরকম সাহায্য করছে।

যুদ্ধের ফলে আইসিসি ইভেন্টের ম্যাচও স্থগিত হয়ে গিয়েছে। ২০২৭ সালে হবে একদিনের বিশ্বকাপ। তার আগে বর্তমানে চলছে সেই ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্ব। ২ এ্প্রিল থেকে যোগ্যতা অর্জন পর্বের পরের রাউন্ড শুরু হওয়ার কথা নামিবিয়াতে। কিন্ত স্কটল্যান্ড, ওমান,, আমেরিকার মতো দেশগুলি কিভাবে সেখানে যাবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা আছে। পুরো বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার রাউন্ডের সূচিকেও প্রভাবিত করেছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে, নতুন সূচি ঘোষণা করা হবে এবং খেলা আবার শুরু হবে।

নেপালের ত্রিভূবন বিশ্ববিদ্য়ালয় (Tribhuvan University) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচও স্থগিত রাখা হয়েছে।

রাতের দিকে জানা যায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজ় দলের জন্য বিশেষ চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোচ ড্যারেন স্যামি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘‘শুধু বাড়ি যেতে চাই।’’ এর পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেয় জয় শাহের আইসিসি। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে আইসিসির এক কর্তা জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ় দলের জন্য বিশেষ চার্টার্ড বিমানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

–

–

–

–
–
