Site Logo

রাজ্যসভায় যাওয়ার বহুদিনের ইচ্ছে: পোস্টে জানালেন স্বয়ং নীতীশ, মানতে নারাজ JDU কর্মীদের বিক্ষোভ বিহারজুড়ে

EBBS DESK·
রাজ্যসভায় যাওয়ার বহুদিনের ইচ্ছে: পোস্টে জানালেন স্বয়ং নীতীশ, মানতে নারাজ JDU কর্মীদের বিক্ষোভ বিহারজুড়ে
রাজ্যসভায় যাচ্ছেন। বহুদিনের ইচ্ছে। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বৃহস্পতিবার, নিজেই স্যোশাল মিডিয়া জানালেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)৷ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার ৪ মাসের মধ্যেই ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভায় যাবেন তিনি। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই পটনা-সহ বিহারের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। জেডিইউ কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, বিহারের রাজনীতি থেকে নীতীশকে সরিয়ে ফেলতেই চক্রান্ত বিজেপির। পটনায় জেডিইউ দফতর ও নীতীশের বাড়ির সামনে রীতিমতো ধর্না-অবরোধ শুরু করেছেন জেডিইউ কর্মীরা। একাধিকবার শিবির বদল করে 'দলবদলু', 'পাল্টুরাম' আখ্যা পেয়েছেন জনতা দল ইউনাইটেডের (JDU) প্রধান নীতীশ কুমার। কখনও NDA তো কখনও মহাগঠবন্ধন- নিজের কুর্সি ধরে রাখতে অনবরত শিবির বদলেছেন তিনি। এক শিবির থেকে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই শিবির বদলে সরকার ফেলেছেন। দিল্লির রাজনীতিও নীতীশের কাছে নতুন নয়। একসময় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন তিনি। কেন্দ্রে একাধিকবার মন্ত্রী ছিলেন। এবার বিহারের বিধানসভা ভোটের আগের থেকেই শারীরিক অসুস্থতার কারণে বারবার সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকার কথা বলেছিলেন। তবুও নির্বাচনের লড়েছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এবার, 'পাল্টুরাম' নীতীশ বদলানোর আগেই বিজেপিই তাঁকে বদলে দিচ্ছে। বুধবার থেকেই বিজেপি সূত্রে খবর, নীতীশকে রাজ্যসভায় রাজনৈতিক বাণপ্রস্থে পাঠিয়ে দিচ্ছে বিজেপি। এদিন সেই খবরে নিজেই সিলমোহর দিলেন নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাখ্যা দিয়ে পোস্ট করে জানালেন, সংসদের দুই কক্ষেই প্রতিনিধি হওয়ার ইচ্ছে তাঁর বহুদিনের৷ বৃহস্পতিবারই রাজ্যসভার মনোনয়ন দাখিল করবেন তিনি৷ নিজের এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে JDU প্রধান লেখেন, “দু দশকেরও বেশি সময় ধরে আমার উপরে আপনারা আস্থা রেখেছেন, সমর্থন জানিয়েছেন, আর সেই ক্ষমতাতে ভর করেই আমরা বিহারের জন্য কাজ করেছি৷ সংসদীয় জীবনের শুরু থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল বিহার বিধানসভা এবং পার্লামেন্টের দুই আইনসভার সদস্য হওয়া৷ সেই ইচ্ছে থেকেই এবার রাজ্যসভা নির্বাচনে অংশ নিতে চলেছি আমি“। একই সঙ্গে বিহারে যে নতুন সরকার তৈরি হবে, তার প্রতি তিনি পূর্ণ সমর্থন জানাবেন বলে লেখেন নীতীশ। তাঁর কথায়, “আমি সম্পূর্ণ সততা নিয়ে জানাতে চাই যে আপনাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক যেমন আছে, তেমনই বহাল থাকবে৷ আরও উন্নত বিহার নির্মাণে একসঙ্গে কাজ করে যাব আমরা৷ যে নতুন সরকার তৈরি হবে, তার প্রতি সহযোগিতা এবং পথপ্রদর্শন দুই করার আশ্বাস দিচ্ছি“৷ কিন্তু নীতীশের পোস্টে ছিঁড়ে ভেজেনি। মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা ছড়িয়ে পড়তেই বিহারে বিক্ষোভ শুরু হয়। সকাল পটনা-সহ বিহারের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু করেছেন জেডিইউ কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদেই নীতীশকে দেখতে চান তাঁরা। সেই বিক্ষোভের নেতৃত্বে জেডিইউ নেতা রাজীবরঞ্জন প্যাটেল। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুধু নীতীশ কুমারকেই দেখতে চাই আমরা। তিনি রাজ্যসভায় যান আমরা চাই না।“ জেডিইউ কর্মী-সমর্থকেরা কথায় তাঁরা, নীতীশে নামে ভোট দিয়েছে। সেই কারণে তাঁরা চান ছেলে নিশান্তকে রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। জেডিইড-এর আরও অভিযোগ, নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য চক্রান্ত করেছে বিজেপি। এখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বড় দাবিদার বর্তমানের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। সম্প্রতি পুত্র নিশান্তকে সক্রিয় রাজনীতিতে এনেছেন নীতীশ। সেক্ষেত্রে নীতীশ-পুত্রকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আজই মনোনয়ন জমার শেষ  দিন। এখন কখন নীতীশ মনোনয় দেন, সেদিকেই নজর সবার। - - - -

Sponsored

Sranchi In Article

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →