আইএসএলে(ISL) ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ৫-১ গোলে জয় পেল মোহনবাগান(mohunbagan) । জয় পেলেও টুর্নামেন্টের শুরুতে কিছুটা বেরঙিন দেখাচ্ছিল সবুজ মেরুনকে। শুক্রবার মোহনবাগান বুঝিয়ে দিল এবার তারাই চ্যাম্পিয়নের প্রধান দাবিদার। ম্যাকলারেনের সুপার স্লাইকোনে লন্ডভন্ড ওড়িশা এফসি।

আইএসএলের প্রথম ম্যাচ থেকেই গোল পাচ্ছিলেন তবে বাগানের পাঁচ তারা জয়ে ম্যাকলারেন একাই ৪। ম্যাচের প্রথমার্ধে হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করলেন। শেষে করলেন আরও একটি গোল। ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক বল নিজেদের সংগ্রহে রাখেন ক্রিকেটার। ফুটবলেও সেই একই নীতি নিলেন অজি তারকা। হ্যাটট্রিক বল নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন জেমি।

এই ম্যাচে সমর্থকদের ফ্রিতে টিকিট দিয়েছিলেন মোহনবাগান কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। ম্যাচ দেখতে নিজেও উপস্থিত ছিলেন। দলের বড় জয়ে তাঁর মুখে তৃপ্তির হাসি। দলের সাফল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই সব কিছু সমর্থকদের জন্য। তারা আমাদের উপর সমর্থ6 করতে থাকুন। আমার উপর ভরসা রাখুন।

মোহনবাগানে যেখানে জেমি ম্যাকলারেন, জেসন কামিংস, দিমিত্রি পেত্রাতোসদের মতো বিদেশিরা রয়েছেন, সেখানে ওড়িশা এফসি’তে একমাত্র বিদেশি কার্লোস দেলগাডো। শুরু থেকেই ঝড় তুললেন দিমিত্রিরা
১৪ মিনিটে প্রথম গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান। বক্সের ঠিক মাথায় বল পেয়ে ব্যাকহিলে ওভারল্যাপে উঠে আসা শুভাশিসকে সেটা দিয়েছিলেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। বল ধরে বাঁপ্রান্ত দিয়ে গতি বাড়িয়ে উঠে গোললাইন বররবর পৌঁছে বাঁপায়ে মাপা ক্রশ বক্সে ভাসালে, বাজপাখীর ক্ষিপ্রতায় চলন্ত বলে মাথা ছুঁইয়ে জালের ভেতর পাঠান জেমি ম্যাকলারেন।

খেলার ২৪ মিনিটে, দিমিত্রি পেত্রাতোসের ফ্রিকিক সুন্দরভাবে পেনাল্টি বক্সের ডানপ্রান্তে রিসিভ করেন লিস্টন কোলাসো। তারপর অনবদ্য ইনসাইড কাট করে ভিতরে ঢুকে সেই বল বাড়িয়ে দেন জেমি ম্যাকলারেনের দিকে। এক্ষেত্রেও কোনও ভুল করেননি জেমি।
৪২ মিনিটে তৃতীয় গোল এল রগরিগেজের পা থেকে।প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই হ্যাটট্রিক করলেন ম্যাকলারেন। ৪-১ গোলে এগিয়ে সাজ ঘরে ফেরে সবুজ মেরুন। ৮৮ মিনিটে নিজের চার ও দলের ৫ নম্বর গোলটি করলেন ম্যাকলারেন। এই ম্যাচ জিতে শীর্ষস্থান আরও মজবুত করল সবুজ মেরুন।

–

–

–

–


