“ভাববেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের জন্য লড়ছেন। এই লড়াইটা বাংলা বাঁচানোর লড়াই”- শুক্রবার ধর্মতলার ধর্না মঞ্চ থেকে বাংলা তথা দেশ বাঁচানোর ডাক দিলেন সাংবাদিক তথা ‘দেশ বাঁচাও গণমঞ্চে’র সদস্য সুমন ভট্টাচার্য (Suman Bhattacharya)। তাঁর কথায়, “এই নির্বাচন যেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির (BJP) শেষ নির্বাচন হয়। ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে সাফ করব। আর ২০২৯-এ দিল্লিতে বিজেপিকে হারাব। এবং বাংলা থেকে একজন প্রধানমন্ত্রী হবেন।”

সুমন জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বারবার বলেছেন এক কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ ভোটার তালিকায় ঝুলে আছেন। ইউরোপের অনেক দেশের জনসংখ্যায় এক কোটি নয়। ভাবুন ইউরোপের কোন দেশকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র হলে বেশি পরিমাণ প্রতিবাদ হবে।” সুমনের কথায়, বাঙালিরা কোনদিন উত্তর বা মধ্য ভারতের কাছে মাথা নোয়ানি। মমতা বা অভিষেকও তাদের কাছে মাথা নোয়াবেন না। বিজেপি বেছে বেছে মহিলাদের আক্রমণ করছেন বলে অভিযোগ করেন সুমন। উদাহরণস্বরূপ সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বা গায়িকা ইমন চক্রবর্তীকে হেনস্থার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সুমনের মতে, বিজেপির এই আঘাতে জবাব নির্বাচনে দিতে হবে।

সুর চড়িয়ে সুমন বলেন, “এই নির্বাচন যেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির (BJP) শেষ নির্বাচন হয়। ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে সাফ করব আর ২০২৯-এ দিল্লিতে বিজেপিকে হারাব। এবং বাংলা থেকে একজন প্রধানমন্ত্রী হবেন।” একটু থেমে সুমন যোগ করেন,”আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে তাই নিয়েও কারও কোনও সংশয় আছে বলে আমার মনে হয় না।”

সংক্ষিপ্ত ভাষণ শেষে সুমন আমার মনে করিয়ে দেন, এটা বাংলার লড়াই, বাঙালির লড়াই। হয় আপনি এই লড়াইয়ে জিতবেন, না হলে বাংলা বলে আর কিছু থাকবে না।”

বাংলায় বিজেপিকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করেছে বামেরা। তাদের ভোটই বিজেপিতে গিয়েছে- অভিযোগ সুমনের। সুতরাং এই লড়াই জিততে তৃণমূলের পাশে থাকতে হবে। এই লড়াইটা বাংলা বাঁচানোর লড়াই। এটা দেশ বাঁচানোর লড়াই।

–

–

–

–

–
–

