সংবিধান আর আইন। এই দুই নিয়েই তাঁর জীবন। এবার আদালতের পাশাপাশি মানুষের জন্য ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও বাংলার মানুষের জন্য লড়াই করতে যে তিনি প্রস্তুত, স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যসভার তৃণমূলের মনোনিত প্রার্থী আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী (Menaka Guruswamy)। এসআইআর-এ নাম বাদের প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধর্নামঞ্চ (dharna mancha) থেকে প্রশ্ন তুললেন ৬০ লক্ষ মানুষকে অ্যাডজুডিকেট (adjudicate) করে কীভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব?

সংবিধান ও ভোটাধিকারের জয়গান গেয়ে শুক্রবার বক্তব্য শুরু করেন মেনকা গুরুস্বামী। সংবিধানের দেওয়া ভোটাধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি জানান, ২০০ বছর আমরা বিট্রিশ শাসনকে সহ্য করেছি। লড়াই করেছি। বাইরে ছুঁড়ে ফেলেছি। সংবিধানকে গ্রহণ করেছি। সেই সংবিধান দুটি মূল কথা বলে – আমরা সবাই সমান – যে মানুষ যে ধর্মেরই হোক, জাতের হোক, যে কোনও প্রান্তের হোক। দ্বিতীয় অধিকার – সব নাগরিকের ভোটাধিকার রয়েছে। আজ ভারতকে এই সংবিধানই (Constitution of India) গোটা দেশকে জুড়ে রাখে।

একজন আইনজীবী হিসাবে সংবিধানের অধিকার মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, আমি একজন সাধারণ আইনজীবী। আমার হৃদয়ে একটিই জিনিস – সংবিধান (Constitution 0f India)। আর সেই সংবিধানেই অধিকার দেওয়া হয়েছে সব নাগরিককে ভোট দেওয়ার (voting right)। যা আমাদের তো আগে ছিল না। সেখানে ৬০ লক্ষ বাংলার নাগরিকদের অ্যাডজুডিকেট করে দিচ্ছে – এর অর্থ কী?

আরও পড়ুন : তালিকায় নাম নেই! ধর্নামঞ্চে হাজির মিশনের মহারাজ, বিজেপিকে নিশানা মমতার

তবে বাংলা মানুষের জন্য যে তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন, তা স্পষ্ট করে মেনকা গুরুস্বামী ধর্নামঞ্চ থেকে জানান, হয়তো আপনাদের ভোট দেওয়ারই অধিকার থাকবে না। আপনাদের ভোটাধিকার (voting rights) না থাকলে কীভাবে এটা অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন হবে? এই বাংলার জন্য শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) লড়াই করছি আমরা। সব আদালতে লড়াই করব। সব বাঙালি নাগরিকের ভোট দেওয়ার অধিকার যাতে রক্ষিত হয় তার জন্য লড়াই চালাবো। জয় বাংলা। জয় সংবিধান।

–

–

–

–

–

